ছাগলনাইয়া প্রতিনিধি
ছাগলনাইয়ার ঘোপালের মিজানুর রহমান অগ্নিদগ্ধ হওয়ার পর মৃত্যুযন্ত্রণার সঙ্গে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর কাছে হার মানলেন।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায় মিজানুর রহমানের শরীরের বেশিরভাগ অংশ অগ্নিদগ্ধ হয়ে শরীর থেকে মাংস ঝরে পড়ছে। এই সময় তার আশেপাশে থাকা প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে তাকে কথা বলতে শোনা যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে তিনি মোবাইল ফোন বিস্ফোরিত হয়ে অগ্নিদগ্ধ হন। তবে তার পরিবারের দাবি তিনি কিভাবে অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন তা তারা জানেন না। তার মৃত্যুনিয়ে রহস্যেরজাল চিহ্ন হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন পরিবার। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
মিজানুর রহমান ঘোপাল ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড, নোয়াপাড়া, নতুন বাড়ির (পূর্ব সিদ্দিক বেন্টারের বাড়ি) বাসিন্দা।
তার ফুফাতো ভাই দক্ষিণ কুহুমা গ্রামের শওকত ওসমান ভুইয়া সুজন জানান, মিজানুর রহমান ঢাকায় ব্যবসা করতেন। তিনি সাভারে ভাড়া বাসায় একা থাকতেন।
গত শনিবার রাত আনুমানিক ১টার দিকে বাসায় তিনি অগ্নিদগ্ধ হন। গুরুতর দগ্ধ হওয়ার পর তাকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করে।
চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালালেও তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। অবশেষে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি গতকাল রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
সুজন ভুইয়া জানান, সাভার থেকে স্থানীয় এক ব্যক্তি তাকে মধ্যরাতে অগ্নিদগ্ধ হওয়ার খবর জানিয়েছেন। তবে কিভাবে তিনি অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন- তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি।
তাকে ধারণা দেওয়া হয়েছে, মিজানুর রহমান যে কক্ষে থাকতেন সে কক্ষে বিস্ফোরণ হয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন। এটা কিসের বিস্ফোরণ - তা এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি পরিবার।
মিজানুর রহমান ছিলেন একজন পরিচিত ব্যবসায়ী ও সমাজমুখী মানুষ। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে অপূরণীয় শোক। তার তিন মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে।
মিজানুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে গার্মেন্টসের স্টক লটের ব্যবসা করতেন বলে জানান সুজন ভুইয়া।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |