দাগনভূঞা প্রতিনিধি:
একসময় ছিলো বাঁশের সাঁকো, পরে করে দেয়া হয় কাঠের ব্রিজ কিন্তু কয়েক হাজার লোকের যাতায়াতের জন্য দরকার ছিলো ব্রিজ। ফলস্বরূপ ফাজিলেরঘাট বাজারে অবস্থিত দাগনভূঞা-সোনাগাজী সড়কে করা হয় নতুন করা ব্রিজ সেখানে থাকা বেইলী ব্রিজটি এনে বসানো হয় মোমারিজপুর-কৃষ্ণরামপুর সংযোগের জন্য যে ব্রিজটির পূর্ব পাশে মোমারিজপুর আর পশ্চিম পাশে কৃষ্ণরামপুর।
যে ব্রীজটি দিয়ে প্রয়োজনে দাগনভূঞা সোনাগাজী বা ফেনী সদরে যেতে পারেন ব্রিজের আশপাশে থাকা মানুষগুলো। বেইলী ব্রিজটি মূলত লোহার পাত দিয়ে বানানো যা মরিচা ধরে বা গাড়ির চাপে নষ্ট হয়ে যায়, উঠে যায় অনেক সময় চুরিও হয়ে যায়।কিছুদিন আগে সাময়িক পাটাতন দিয়ে মেরামত করা হলেও পরে বাকি অংশগুলো নষ্ট হতে থাকে। বর্তমানে ব্রিজটি এমনভাবে পাটাতন নষ্ট হয়ে গেছে যেখানে একটি মোটরসাইকেল বা সাইকেল নিয়েও পার হতেও কষ্ট হচ্ছে।
ফাজিলেরঘাট হাই স্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী সাইফুল বলেন, ব্রিজটি পার হয়ে আমাদের স্কুলে যাওয়া লাগে ফাজিলেরঘাট বাজারে।ব্রিজটি দিয়ে হেঁটে যেতেও ভয় লাগে।
জেলে বাড়ির মাছ বিক্রেতা শ্যামল দত্ত বলেন, ভ্যানে করে মাছ বিক্রি করতে এ এলাকা সে এলাকা যাই ব্রিজের এপারেও অনেক সময় আসা লাগে কিন্তু ব্রিজের যে অবস্থা তাতে পার হয়ে এ পাড়ে আসতে পারিনা বেচা বিক্রিও কমে গেছে কিছুটা।
সিএনজি চালক সিরাজ জানান, আগে ব্রিজ পার হয়ে ফাজিলেরঘাট হয়ে দাগনভূঞা ফেনীর দিকে যাত্রী নিতাম এখন মাতুভূঞা বা বেকেরবাজার দিয়ে যেতে হয়।
ব্রিজের পাশেই খুচরা ব্যবসায়ী মোঃ রুবেল বলেন, আজ কয়েকবছর আমি দোকান পরিচালনা করে আসছিলাম বিভিন্ন কোম্পানির লোকজন ব্রিজ পার হয়ে দোকানে এসে মালামাল দিয়ে যেত এখন আমি দোকান বন্ধ করে নিজে গিয়ে আনতে হয় আবার আমার পরিবহণ খরচও বেড়ে গিয়েছে।
তরুণ উদ্যোক্তা রেজাউল হাসান বলেন, বিভিন্ন চারা বা গাছ কিনে বা বিক্রি করার জন্য গাড়ি নিয়ে ব্রিজ দিয়ে আসতাম এখন ব্রিজের এদিকে আর গাড়ি আসেনা ফলে অন্য রাস্তা দিয়ে ঘুরিয়ে আনতে হয় এখন আমার উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শাহীদুল ইসলাম বলেন, ব্রিজটি দেখে দ্রুতই মেরামত করে চলাচলের উপযোগী করে দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |