পরশুরাম প্রতিনিধি
পরশুরাম উপজেলায় দিন দিন বেড়ে চলেছে ভবঘুরে কুকুরের উপদ্রব। পৌর অঞ্চলসহ বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলে কুকুরের উৎপাত বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে বলে আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী।
স্থানীয়রা জানান, রাত হলেই দলবেঁধে রাস্তায় ঘুরে বেড়ায় কুকুরের দল। অনেক সময় পথচারীদের ধাওয়া দেওয়া, মোটরসাইকেলের পেছনে তেড়ে আসা এবং ছোট শিশুদের ভয় দেখানোর মতো ঘটনাও ঘটছে। উপজেলার ডাকবাংলা মোড়, বাজার এলাকা, বিভিন্ন স্কুলের আশপাশ ও আবাসিক এলাকায় কুকুরের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বাসিন্দারা।
গত সোমবার রাতে দক্ষিণ গুথুমা সিদ্দিকিয়া মাদ্রাসার বাবুর্চি রাহাতকে একটি কুকুর কামড় দিয়ে তার পায়ের গোড়ালি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। একই দিনে বঙ্মাহমুদ ইউনিয়নের বাগমারা গ্রামের জয়নাল আবেদীন কালোই ও আলকাস হোসেনও কুকুরের কামড়ে আহত হন। পরে এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে ওই কুকুরটিকে মেরে ফেলেছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী তারেক বলেন, দিনের বেলাতেও কুকুরগুলো বাজার ও সড়কে অবস্থান করায় মানুষ স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারছে না । কয়েকজন পথচারী কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে।
এ বিষয়ে পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ্-এর আরএমও জানান, হাসপাতালে পর্যাপ্ত জলাতঙ্ক প্রতিষেধক মজুত রয়েছে। কুকুরে কামড়ানোর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যে আক্রান্তদের এই প্রতিষেধক প্রদান করা হয়।
সচেতন মহল বলছেন, অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও খাবারের উচ্ছিষ্ট খোলা স্থানে ফেলে রাখার কারণে কুকুরের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। একই সঙ্গে পৌরসভা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগের অভাবও পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে।
স্থানীয়দের দাবি, সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় অনেক ভবঘুরে কুকুর পার্শ্ববর্তী ভারতীয় সীমান্ত এলাকা থেকে এদিকে চলে আসছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত কুকুর নিয়ন্ত্রণ, টিকাদান এবং নিরাপদ ব্যবস্থাপনার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধিরও আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |