নিজস্ব প্রতিবেদক
মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা, ঢাকসুর সাবেক ভিপি তোফায়েল আহমেদ পরলোক গমন করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
সোমবার বিকাল সাড়ে ৩ ঘটিকায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে প্যারালাইসিসসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ। গুরুতর অবস্থায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।
মৃত্যুকালে একমাত্র সন্তান ডা. তাসলিমা আহমেদ জামান মুন্নী ও স্বজনদের রেখে গেছেন তোফায়েল আহমেদ। এর আগে গত বছরের ২০ নভেম্বর তার স্ত্রী আনোয়ারা আহমেদ মারা গেছেন।
তোফায়েল আহমেদের জন্ম ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে। তার বাবার নাম মৌলভী আজহার আলী এবং মা ফাতেমা বেগম।
তোফায়েল আহমেদ ৯ বার জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। সর্বশেষ তিনি ভোলা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। দীর্ঘদিন তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ছিলেন। ৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা রেখে দেশজুড়ে পরিচিতি পান তিনি।
ভোলায় শায়িত হবেন তোফায়েল আহমেদ
ভোলায় চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন বর্ষীয়ান রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদ। আজ মঙ্গলবার বাদ জোহর দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। গত সোমবার পারিবারিক সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বর্ষীয়ান রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদের মরদেহ ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে নেওয়া হয়েছে। সেখানে বাদ মাগরিব জানাজা শেষে মরদেহ স্কয়ার হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হবে। আজ মঙ্গলবার মরদেহ ভোলায় নেওয়া হবে এবং সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
এর আগে বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি এক কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
স্কয়ার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নিউমোনিয়াজনিত শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ ও শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর তোফায়েল আহমেদ হাসপাতালে ভর্তি হন। তিনি আইসিইউ সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. রায়হান রাব্বানীর নিবিড় তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। চিকিৎসকদের দীর্ঘদিনের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, বাদ মাগরিব ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে জানাজা শেষে মরদেহ স্কয়ার হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হবে। আগামীকাল মরদেহ ভোলায় নেওয়া হবে। সেখানে বাদ জোহর ভোলা জেলা স্কুল মাঠে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |