নিজস্ব প্রতিনিধি:
প্রায় দেড়যুগ পর ফেনী চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রির নির্বাচনে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যদিয়ে নির্বাচিত পরিচালকদের শপথ গ্রহন অনুষ্ঠান ও অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরের দিকে ফেনী শহরের গ্র্যান্ড সুলতান কনভেনশন সেন্টারে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এমপি। নব নির্বাচিতদের শপথ বাক্য পাঠ করান ফেনী জেলা প্রশাসক মনিরা হক।
এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন, ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক জয়নাল আবদিন ভিপি, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু, ফেনী জেলা প্রশাসক মনিরা হক, পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক এম এ খালেক, ফেনী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল কাশেম, সহ-সভাপতি ফরিদ উদ্দিন আহমেদ পাঠান ও সহ-সভাপতি স্টার লাইন গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান জাফর উদ্দিন।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ফেনী চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রির সদ্য বিদায়ী পরিচালক মুশফিকুর রহমান পিপুল এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পরিচালক জালাল উদ্দিন বাবলু। অনুষ্ঠানে ফেনী জেলা বিএনপি-জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষস্থানীয় নেতা ও জেলার সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে ২৭ জুন ফেনী চেম্বার অব কমার্স নির্বাচনে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্য দিয়ে ২১ জন পরিচালক নির্বাচিত হন।
ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়
- আবদুল আউয়াল মিন্টু এমপি
নিজস্ব প্রতিনিধি:
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এমপি বলেছেন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব হবে না। কর্মসংস্থান হবে না। আপনারা যদি ঠিকমত ব্যাবসা বানিজ্য করার সুযোগ দেন, তাহলে দেশে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে, শিক্ষিত- অর্ধশিক্ষিতদের চাকরি হবে।
তিনি গতকাল শনিবার দুপুরে ফেনী চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রি নির্বাচনে নব-নির্বাচিতদের শপথ গ্রহণ ও অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে এসব কথা বলেন।
এ সময় আব্দুল আউয়াল মিন্টু আরও বলেন, আমরা যদি বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে না পারি, তাহলে সন্ত্রাস ও মাদকাসক্তির সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। দেশে ও সমাজে অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে। এতে দেশের উন্নতি ও সমৃদ্ধি ব্যাহত হবে। রাজনীতি অর্থনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করে। তাই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে হলে রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য সবাইকে রাজনৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব পালন করতে হবে। ব্যবসায়ীদেরকে ব্যবসা-বাণিজ্য করার সুযোগ দিতে হবে। বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। মাদক ও কিশোরগ্যাং পুরো দেশের সমস্যায় রূপান্তরিত হয়েছে। আমরা যদি যুবকদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে পারি, তাহলে এ সমস্যা ক্রমান্বয়ে কমে যাবে বলে অভিমত ব্যাক্ত করেন পরিবেশ মন্ত্রী।
এ সময় তিনি নিজেকে ফেনীর সন্তান দাবী করে বলেন, আমি ফেনীতে জন্ম নিয়েছি। ফেনীতে লেখাপড়া করেছি এবং ফেনীতেই বড় হয়েছি। মহাসড়কের ফেনী লালপুল ক্রসিংয়ের সমস্যাটা সমাধানের জন্য চাপ দিয়েছি। মুছাপুরে রেগুলেটরের সমস্যাটি একনেকে নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। মেডিকেল কলেজ নির্মাণের বিষয়টি বারবার সংসদে বলা হচ্ছে। আশা করি ক্রমান্বয়ে এসব সমস্যার সমাধানে প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে।
গুলি করে হলেও মাদক-চোরাচালান বন্ধ করতে হবে
-জয়নাল আবেদিন এমপি
স্টাফ রিপোর্টার:
সীমান্তবর্তী জেলা হিসেবে ফেনীতে মাদক ও হরেক পদের চোরাচালান রোধে প্রশাসনকে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক জয়নাল আবেদিন। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে গুলিবিদ্ধ করে হলেও মাদক ও চোরাচালান বন্ধ করতে হবে।
গতকাল শনিবার ফেনী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নবনির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অধ্যাপক জয়নাল আবেদিন বলেন, আমরা এমপি হয়েছি বসে থাকার জন্য নয়। ফেনী তুলনামূলক ভালো অবস্থানে থাকলেও সার্বিক চিত্র পুরোপুরি সন্তোষজনক নয়। প্রতিদিন মদসহ বিভিন্ন ধরণের মাদক ঢুকছে, চুরি-ডাকাতি বাড়ছে। ভারত থেকে আসা এই বিপুল পরিমাণ মাদকের চালান ও অপরাধ রুখতে প্রশাসনকে নিয়মিত নজরদারি জোরদার করতে হবে এবং জড়িতদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনতে হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, ফেনীর চারিদিকে সীমান্ত থাকায় সব পথ দিয়েই চোরাচালান ছড়িয়ে পড়ছে। অনেক উঠতি বয়সের তরুণ নেশাগ্রস্ত হয়ে রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। তবে কেবল প্রশাসনের পক্ষে এ ব্যাধি নির্মূল করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি রাজনীতিবিদ, অভিভাবক ও সমাজের সচেতন মানুষকে একযোগে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে তিনি সততা ও নৈতিকতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, সৎভাবে ব্যবসা করলে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ-উভয়েই উপকৃত হবেন। বড় ব্যবসায়ী হন, তবে নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে নয়। চেম্বার অব কমার্সকে আমাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে।
এ ছাড়া নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, কিশোর গ্যাং দমন ও বেকারত্ব দূরীকরণে একযোগে কাজ করার ওপর জোর দেন তিনি। জয়নাল আবেদিন আরও বলেন, সমাজকে সুন্দর ও নিরাপদ হিসেবে গড়ে তুলতে না পারলে রাজনীতি করার কোনো সার্থকতা নেই।
অনুষ্ঠানে প্রধান ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।
ফেনীবাসীর দাবী পূরণে সবাই কাজ করতে হবে
-এমপি রেহানা আক্তার রানু
স্টাফ রিপোর্টার:
সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পরিবেশ ছিল না। তবে বর্তমান বিএনপি সরকারের অধীনে বিভিন্ন সেক্টরে নিয়মিত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে আবারও উৎসাহ ফিরে এসেছে। সুষ্ঠু নির্বাচন অব্যাহত থাকলে প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্নীতিমুক্ত ও আরও শক্তিশালী হবে।
শনিবার দুপুরে ফেনী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নবনির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি বলেন, ফেনীবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা, লালপোল ও রেলক্রসিংয়ে ফ্লাইওভার নির্মাণ এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধসহ জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলো জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে। এসব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ফেনীর মানুষ বিএনপিকে দীর্ঘদিন স্মরণ রাখবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। এ জন্য সকল জনপ্রতিনিধিকে একযোগে কাজ করার আহবান জানান এমপি রানু।
ফেনীকে শিল্প জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে
-অধ্যাপক এমএ খালেক
ফেনী জেলা পরিষদ প্রশাসক অধ্যাপক এমএ খালেক বলেছেন, আজকে যারা নির্বাচিত হয়েছেন তাদের প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে এই শহরকে ক্লিন রাখা। ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা, আপনারা এখানে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলবেন। ফেনীতে বড় বড় শিল্পকারখানা গড়ে তোলার জন্য উদ্যোক্তা সৃষ্টি করতে হবে। ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। অসাধু ব্যবসায়ীদের বিষয়ে নজর রাখতে হবে। পুরো দেশকে ক্লিন এবং গ্রিন করার কাজে সরকারকে সার্বিক সহযোগিতা করতে হবে। তিনি গতকাল শনিবার দুপুরের দিকে ফেনী চেম্বার অব কমার্স এর অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেছেন।
তিনি বলেন, আমাদের ফেনীতে ১ জন মন্ত্রী এবং ৩ জন এমপি রয়েছেন। তারা যদি একসাথে কাজ করেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ফেনীর বিষয়ে বিশেষ ভূমিকা রাখবেন বলে আমরা মনে করি। ফেনী জেলা একটি শিল্প জেলা হিসেবে গড়ে উঠবে।
ব্যবসার উন্নয়নে চেম্বারের ভূমিকা জোরদার করতে হবে
-জেলা প্রশাসক
নিজস্ব প্রতিনিধি:
একটি জেলার অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলো ব্যবসায়ী সমাজ। আর এই ব্যবসায়ী সমাজের প্রতিনিধিত্ব করে চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। এটি শুধু একটি ব্যবসায়ী সংগঠন নয়; বরং সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে কার্যকর সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ এ প্রতিষ্ঠানটি। তিনি গতকাল শনিবার দুপুরে ফেনী চেম্বার অব কমার্স নির্বাচনে নব নির্বাচিত পরিচালকদের অভিষেক ও শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ফেনী চেম্বার একটি ঐতিহ্যবাহী সংগঠন। ১৯৮৪ সালে সমাজসেবা মন্ত্রণালয় থেকে নিবন্ধন লাভের পর ১৯৯৬ সালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের লাইসেন্স অর্জন করে। চেম্বারের জমি নবায়নের (রিনিউয়াল) আবেদন বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং তা অচিরেই নিষ্পত্তি করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
তিনি আরও বলেন, চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ২০২৫ সালের নীতিমালা অনুযায়ী শুধু ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণেই সীমাবদ্ধ নয়। সরকারের কাছে গঠনমূলক মতামত প্রদান, শিল্প ও বাণিজ্যের উন্নয়ন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিনিধিত্ব, কর ও শুল্ক নীতিমালা প্রণয়নে পরামর্শ প্রদান এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করাও চেম্বারের দায়িত্ব।
জেলা প্রশাসক বলেন, সততা, নিষ্ঠা ও দূরদর্শিতার সঙ্গে নবগঠিত কমিটি আগামী দুই বছরে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, ব্যবসা-বাণিজ্যের সমপ্রসারণ এবং জেলার অর্থনৈতিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায়ও এ কমিটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, সীমিত আয়তনের জেলায় শিল্পায়নের কোনো বিকল্প নেই। শিল্পায়নের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং জেলার অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হবে।
ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে বাধা দিলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে
- পুলিশ সুপার
স্টাফ রিপোর্টার :
ফেনীতে ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিকাশে কোনো ধরনের বাধা কিংবা চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জেলার পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার। তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের কাছে কেউ চাঁদা দাবি করলে বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে পুলিশ।
শনিবার দুপুরে শহরের গ্র্যান্ড সুলতান কনভেনশন হলে ফেনী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নবনির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পুলিশ সুপার বলেন, যে অঞ্চলে বিনিয়োগ বেশি হয়, সে অঞ্চল অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পায়। তাই নবনির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদকে জেলার অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগে উৎসাহিত করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, ফেনীতে বড় বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও কুটিরশিল্প গড়ে উঠলে নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে, বেকারত্ব কমবে এবং জেলার পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। জেলায় ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগ বা নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে পুলিশ সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে। কোনোভাবেই আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে দেওয়া হবে না। এ ধরনের যেকোনো সমস্যা হলে নবগঠিত কমিটি পুলিশকে অবহিত করবে। পুলিশ সবসময় ব্যবসায়ীদের পাশে রয়েছে। আগামী দুই বছরে নবনির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদের নেতৃত্বে ফেনীর ব্যবসায়ী সমাজ আরও এগিয়ে যাবে এবং জেলার অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে সাধারণ মানুষও এর সুফল ভোগ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ফেনীতে আরো কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে
-জাফর উদ্দিন
আজকে আমরা ফেনী জেলার সকল শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তারা একত্রিত হয়েছি। আমরা স্টার লাইন গ্রুপের মাধ্যমে ফেনীতে ১২ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছি। আগামীতে এভাবে আরো বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। ফেনী জেলাকে সারা দেশে ব্যবসা-বাণিজ্যে শীর্ষস্থানে রাখতে হবে। এ জন্য আমরা আমাদের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু সাহেবসহ এমপিদের সহযোগিতা চাই। যারা নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের কাছেও আমাদের অনেক প্রত্যাশা রয়েছে। আপনারা ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করবেন। বিনিয়োগকারীদের সমস্যায় পাশে থাকবেন বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |