নিজস্ব প্রতিনিধি:
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, সাহিত্য, দর্শন, আদর্শ ও বিপুল সৃষ্টিসম্ভারকে জাতীয় পর্যায়ে নতুনভাবে তুলে ধরতে সরকার ঘোষিত ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে সোমবার সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা নাসরীন কান্তা।
উপজেলা সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোশারফ হোসেনের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, ফেনী সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন আহমেদ, সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. শহীদুল ইসলাম খোকন, সদর উপজেলা জামায়াতের আমীর নাদেরুজ্জামান, জেলা জাসাস সভাপতি কাজী ইকবাল আহমেদ পরান। এসময় ফেনী আলিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মাহমুদুল হাসান, সদর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ফজলুর রহমান বকুল, সদস্য সচিব আমান উদ্দিন কায়সার সাব্বির, একাডেমিক সুপারভাইজার কামরুন নাহার প্রমুখ সরকারি বিভিন্ন দপ্তর প্রধান ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন।
মহিউদ্দিন আহমেদ তার বক্তব্যে বলেন, আগামী প্রজন্ম নজরুলের অসাম্প্রদায়িক আদর্শ ধারন করতে হবে। নতুবা দেশ কখনো এগুবেনা। নজরুলের কোন লেখায় সাম্প্রদায়িকতা পাওয়া যাবেনা। সমাজের সর্বস্তরে তার বিচরণ রয়েছে। অনেক লেখক আছে তাদের লেখা পড়লে সাম্প্রদায়িকতা পাওয়া যাবে। একধরনের অসহিষ্ণুতা ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে।
ড. শহীদুল ইসলাম খোকন বলেন, জাতীয় কবি নজরুলের কথা বলতে গেলে গায়ের লোম দাঁড়িয়ে যায়। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানেও এর প্রতিফলন দেখেছি। সকল অন্যায়, বৈষম্যের বিরুদ্ধ লড়েছেন। তার রচিত হামদ-নাথ, কাব্যগ্রন্থ সমূহ পড়ে তাকে স্মরণ করবেন।
নাদেরুজ্জামান বলেন, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার জন্য কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের প্রেরণা। তার কবিতায় জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে ভালোবাসার নিদর্শন পাওয়া যায়।
সুলতানা নাসরীন কান্তা বলেন, নজরুল বর্ষের অন্যতম প্রথম কর্মসূচি হিসেবে আজ থেকে শুরু হয়েছে দেশব্যাপী একযোগে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা। জাতীয় কবির জীবন, সাহিত্য, দর্শন ও সৃষ্টিকর্মের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি তাঁর সৃষ্টির প্রতি নতুন প্রজন্মের আগ্রহ তৈরি করাই এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতা আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। প্রাথমিক, কারিগরি ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় অংশ নিবে।
একাডেমিক সুপারভাইজার কামরুন নাহার জানান, প্রতিযোগিতায় ধাপে ধাপে বাছাই করে শিক্ষার্থীদের জাতীয় পর্যায়ে নেওয়া হবে। প্রতিটি বিদ্যালয়ের প্রতিটি বিষয়ের প্রথম স্থান অধিকারী থেকে উপজেলা পর্যায়ের প্রথম স্থান অধিকারীরা জেলা পর্যায়ে এবং জেলা পর্যায় থেকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীরা বিভাগীয় পর্যায়ে অংশ নেবে। বিভাগীয় পর্যায়েও প্রতিটি বিষয়ের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীরা জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |