সোনাগাজী প্রতিনিধি:
ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বাস্তবায়িত প্রায় ১৭ কোটি টাকার তিনটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও একটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা ও স্থানীয় অর্থনীতির উন্নয়নে নতুন দিগন্তের সূচনা হবে।
সোনাগাজী উপজেলা এলজিইডি কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, উদ্বোধনকৃত ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে- চরমজলিশপুর ইউনিয়নের কুঠিরহাট-তাকিয়াবাজার সড়ক প্রশস্তকরণ, যার ব্যয় ৪ কোটি ৪৭ লাখ ৮৮ হাজার টাকা; মতিগঞ্জ ইউনিয়নের বাসস্ট্যান্ড-সোনাপুর ভায়া সুলাখালী সড়ক পুনর্বাসন, যার ব্যয় ৪ কোটি ১৪ লাখ টাকা; এবং সদর ইউনিয়নের মনগাজী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সম্প্রসারিত ভবন নির্মাণ, যার ব্যয় ৭৫ লাখ ৮৩ হাজার টাকা। এছাড়া ৭ কোটি ৭০ লাখ ১৮ হাজার টাকা ব্যয়ে আবু বক্কর সড়ক প্রশস্তকরণ ও গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা এসব উন্নয়ন কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করে সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। তারা বলেন, প্রকল্পগুলোর নির্মাণমান ভালো হয়েছে এবং এগুলো বাস্তবায়নের ফলে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ার পাশাপাশি কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সামগ্রিক আর্থসামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
তাকিয়াবাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আবদুল মানিক বলেন, “কাজগুলোর গুণগত মান ভালো হয়েছে। এসব সড়ক নির্মাণ ও প্রশস্তকরণের ফলে এই এলাকার মানুষের যাতায়াত সহজ হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।”
সোনাগাজী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জয়নাল আবদীন বাবলু বলেন, “বর্তমান বিএনপি সরকার গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ডসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সুবিধা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়নেও সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এসব উন্নয়ন প্রকল্প তারই ধারাবাহিকতা।”
সোনাগাজী উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) জয় সেন বলেন, “গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়ন এবং গ্রামীণ অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে। পাশাপাশি নতুন বিদ্যালয় ভবন নির্মাণের ফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা আরও উন্নত ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশে পাঠদান গ্রহণের সুযোগ পাবে, যা শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং ঝরে পড়ার হার কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |