নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বড় চারিগাঁও এলাকায় নতুন একটি গ্যাস কূপের খননকাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এঙ্প্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেঙ্)। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খনন ও পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সফল হলে এ কূপ থেকে প্রতিদিন প্রায় ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে আশা করা হচ্ছে।
বাপেঙ্রে কর্মকর্তারা জানান, মঙ্গলবার কূপটির খননকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। বুধবার সকাল থেকে পুরোদমে খনন কার্যক্রম চলছে। প্রকল্পটির নাম ‘সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ খনন প্রকল্প’।
বাপেঙ্ সূত্রে জানা গেছে, কূপটি প্রাথমিকভাবে ১ হাজার ৫৫০ মিটার গভীরতা পর্যন্ত খননের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৩৬১ মিটার এবং ১ হাজার ৪৫০ মিটার গভীরতায় দুটি পৃথক স্তরে প্রাকৃতিক গ্যাসের সম্ভাবনা রয়েছে। ডিরেকশনাল ওয়েল পদ্ধতিতে এমডব্লিউডি (গডউ) প্রযুক্তি ব্যবহার করে খননকাজ পরিচালনা করা হচ্ছে।
প্রকল্পটির ড্রিলিং ইনচার্জ জাকির হোসেন খান জানান, প্রায় ৪৫ দিনের মধ্যে খননকাজ শেষ হবে। এরপর আরও ১৫ দিন ড্রিল স্টেম টেস্ট (ডিএসটি) সম্পন্ন করা হলে কূপটিতে গ্যাসের মজুত ও উৎপাদন সক্ষমতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। তিনি বলেন, মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া খননকাজ নিরবচ্ছিন্নভাবে চলবে।
বাপেঙ্রে তথ্য অনুযায়ী, নোয়াখালীর এ অঞ্চলে গ্যাস অনুসন্ধানের ইতিহাস বেশ পুরোনো। ১৯৭৬ সালে বেগমগঞ্জ এলাকায় প্রথম গ্যাস কূপের সন্ধান পাওয়া যায়। ১৯৭৮ সালে দ্বিতীয় কূপ শনাক্ত হলেও দুটি কূপে ড্রিলিং করে বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস পাওয়া যায়নি। পরে ২০১৩ সালে সুন্দলপুর-৩ কূপে গ্যাসের সন্ধান মেলে এবং ড্রিলিং শেষে সেখান থেকে উৎপাদন শুরু হয়। ২০১৮ সালে কূপটির ওয়ার্কওভার শেষে বর্তমানে সেখান থেকে প্রতিদিন প্রায় ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।
এ পর্যন্ত নোয়াখালীতে সুন্দলপুর-১, সুন্দলপুর-২ ও সুন্দলপুর-৩ নামে তিনটি গ্যাস কূপ খনন করেছে বাপেঙ্। এর মধ্যে সুন্দলপুর-১ ও সুন্দলপুর-৩ থেকে বর্তমানে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। তবে সুন্দলপুর-২ থেকে এখনো জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সুন্দলপুর-৩ কূপের ওয়ার্কওভার শেষ হলে সেখান থেকেও পুনরায় গ্যাস সরবরাহ শুরু করা সম্ভব হবে।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |