স্টাফ রিপোর্টার:
ফেনীর কহুয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদিত বেড়িবাঁধ নির্মাণ প্রকল্প বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন করেছে সর্বস্তরের জনগণ।
গতকাল শনিবার বিকেলে ফেনী শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে 'আমরা গর্বিত, আমরা ফেনীর সন্তান' স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
সংগঠনের উপদেষ্টা আনোয়ারুল আহসান জসিমের সভাপতিত্বে এবং উপদেষ্টা মোরশেদ হোসেনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের প্রচার সম্পাদক আনম আবদুর রহিম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতা সিহাব উদ্দিন, ফেনী জজ কোর্টের এপিপি অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন মোরশেদ, চ্যানেল ওয়ানের জেলা প্রতিনিধি নজির আহমেদ রতন, যমুনা টেলিভিশনের নিজস্ব প্রতিনিধি আরিফুর রহমান, দীপ্ত টিভির জেলা প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মামুন, কালবেলার পরশুরাম প্রতিনিধি আবু ইউসুফ মিন্টু, সংবাদকর্মী শাহাদাত সাজু, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠক লোকমান হোসেন সুমন, সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন শামীম, শাহ ওয়ালি উল্লাহ এবং ছাগলনাইয়া উপজেলা পল্লী চিকিৎসক সমিতির আব্দুস সালাম। এছাড়া জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মানববন্ধনে অংশ নেন।
বক্তারা বলেন, কহুয়া নদীর ১২২ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নির্মাণে একনেকে অনুমোদিত ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা যথাযথভাবে ব্যয় করে একটি টেকসই বাঁধ নির্মাণ করা হলে ফেনীর উত্তরাঞ্চলের বন্যাকবলিত মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে। তাদের দাবি, দেশের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার পরিচয় দিয়েছে। তাই এ প্রকল্পও সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হলে কাজের গুণগত মান নিশ্চিত হবে।
বক্তারা আরও বলেন, অনলাইন টেন্ডার প্রক্রিয়ায় যেন কোনো ধরনের কারসাজি না হয়, সে বিষয়ে সরকারকে কঠোর নজরদারি করতে হবে।
তারা অভিযোগ করেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও অসাধু ঠিকাদারদের অনিয়মের সুযোগ দেওয়া হলে প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হতে পারে। তাই সেনাবাহিনীর মাধ্যমে স্বচ্ছ ও টেকসইভাবে বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়ে তারা বলেন, এ দাবি বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলন আরও বেগবান করা হবে।
বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মিত হলে ফেনীর উত্তরাঞ্চলের বন্যাদুর্গত এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে এবং জনজীবনে স্বস্তি ফিরে আসবে।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |