দাগনভূঞা উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের কোরাইশ মুন্সি বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার(২০ ফেব্রুয়ারী) সকালে আগুনে বাজারের অন্তত ১১টি দোকান ভস্মীভূত হয়েছে। যার মধ্যে ৭টি দোকান পুরোপুরি ভস্মীভূত হয়ে গেছে।অগ্নিকাণ্ডে প্রায় আড়াই কোটি টাকার সমপরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার ভোরে রাজাপুর ইউনিয়নের কোরাইশ মুন্সি বাজারের টু-স্টার হোটেলের গ্যাসের চুলা থেকে আগুনের সুত্রপাত হয়েছে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং পাশের দোকানগুলোতে আগুন লেগে যায়। স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও দাহ্য পদার্থ ও মালামাল বেশি থাকায় দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে। এতে ১১ টি দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। যার মধ্যে ৭টি দোকান পুরোপুরি ভস্মীভূত হয়ে যায়। আগুনে পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মধ্যে রয়েছে মুদি দোকান, ইলেকট্রনিক্স এবং গুদামঘর।
খবর পেয়ে ফেনী ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট ও নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ১টি ইউনিট সহ মোট ৪টি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, দোকানে থাকা নগদ টাকা, আসবাবপত্র এবং বিপুল পরিমাণ মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এই ক্ষতির পরিমাণ ২ কোটি ৫০ লাখ (আড়াই কোটি) টাকা ছাড়িয়ে যাবে। অনেক ব্যবসায়ী তাদের জীবনের সব সঞ্চয় হারিয়ে এখন দিশেহারা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোল্লা স্টোরের মালিক কামাল উদ্দিন জানান, আগুনে আমার গোডাউনের সমস্ত মালামাল পুড়ে গেছে। এতে আমার আনুমানিক দেড় কোটি টাকার মালামাল পুড়ে যায়। কিভাবে আমি উঠে দাঁড়াবো বুঝতে পারছি না। আমি সরকারের সহযোগিতা কামনা করছি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফেনী ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আবদুল্লা হারুন পাশা জানান, আগুনে ১১ টি দোকান ভস্মীভূত হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিটের যৌথ প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তদন্ত চলছে।
এই ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা সরকারের নিকট সহায়তা কামনা করেছেন।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |