পরশুরাম প্রতিনিধি
২০২৪ সালের আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে পরশুরামে শুরু হয়েছে ‘বি-স্ট্রং’ প্রকল্পের কার্যক্রম। বাংলাদেশ সাস্টেইনেবল রিকভারি, ইমার্জেন্সি প্রিপেয়ার্ডনেস অ্যান্ড রেসপন্স (বি-স্ট্রং) প্রজেক্টের আওতায় গত বৃহস্পতিবার অফিসার্স ক্লাব সভাকক্ষে উপজেলা পর্যায়ের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এসডিএফ) এই সভার আয়োজনকরে।
পরশুরাম উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম শাফায়াত আখতার নূরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় কমিউনিটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় এসডিএফ কর্তৃপক্ষ জানায়, ২০২৬ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত ৫ বছর মেয়াদি এই প্রকল্পের আওতায় পরশুরাম উপজেলার প্রায় ৪ হাজার দরিদ্র ও অতিদরিদ্র পরিবারকে পুনর্বাসন ও নানামুখী সহায়তা দেওয়া হবে। ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় যেসব পরিবার ঘরবাড়ি, অবকাঠামো ও জীবিকা হারিয়েছে, প্রধানত তাদেরই এই প্রকল্পের জন্য নির্বাচিত করা হচ্ছে। বিশেষ করে দুর্যোগপ্রবণ, কৃষিনির্ভর এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় পিছিয়ে থাকা গ্রামগুলো অগ্রাধিকার পাবে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, এসডিএফ-এর টিম লিডার মো. রুহুল আমিন খন্দকার। প্রকল্পের বিভিন্ন কারিগরি ও মাঠপর্যায়ের দিক তুলে ধরেন পরশুরাম কার্যালয়ের ক্লাস্টার কো-অর্ডিনেটর সুদীপ্ত দাস এবং প্রকল্পের বিস্তারিত রূপরেখা উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক এম. এ. মতিন।
সভাপতির বক্তব্যে, ভারপ্রাপ্ত ইউএনও এস এম শাফায়াত আখতার নূর বলেন,"বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে গ্রামীণ অর্থনীতি সচল করতে এবং ভবিষ্যৎ দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই প্রকল্পটি অত্যন্ত সময়োপযোগী। প্রান্তিক মানুষের জীবনমান টেকসই করতে এটি বড় ভূমিকা রাখবে।"
সভায় বক্তারা উপকারভোগীদের আহ্বান জানান, যেন প্রদত্ত সহায়তার অর্থ কোনো অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় না করে সম্পূর্ণভাবে টেকসই ও আয়বর্ধক কাজে ব্যবহার করা হয়।
বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে প্রায় ৪৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দের এই মেগা প্রকল্পের মূল চালিকাশক্তি সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এসডিএফ)। সভায় সংস্থাটির দেশব্যাপী সাফল্যের কিছু উল্লেখযোগ্য পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়। দেশের ৩৫টি জেলার ৯,৩৩৩টি গ্রামে কার্যক্রম বিস্তৃত।
প্রায় ৭৫ লক্ষাধিক মানুষ সেবা পেয়েছেন, যার মধ্যে ৯৭ শতাংশই নারী। ১৮ লাখ ৫০ হাজার পরিবার সরাসরি সেবার আওতাভুক্ত এবং ১ লাখ ৭ হাজারের বেশি তরুণকে দেওয়া হয়েছে কারিগরি প্রশিক্ষণ।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |