ছাগলনাইয়া প্রতিনিধি
পবিত্র ঈদুল আজহার আর মাত্র ৫ দিন বাকি। এরই মধ্যে ছাগলনাইয়া উপজেলা বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর হাট বসে গেছে। তবে এখনো পুরোপুরি জমে ওঠেনি বেচাকেনা। ক্রেতাদের উপস্থিতিও তুলনামূলক কম।
গতকাল শুক্রবার মনুরহাট ও জঙ্গল মিয়া বাজার বসেছে গরু-ছাগলের বিশাল হাট। এই হাট ঘুরে দেখা গেছে, বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন থেকে আসা পাইকাররা গরু-ছাগল নিয়ে ক্রেতাদের অপেক্ষায় রয়েছেন। কেউ কেউ খুঁটি গেড়ে পশু বাঁধার জায়গা তৈরি করছেন।
আমজাদ হাট থেকে আসা ক্রেতারা ঘুরে দেখছেন বিভিন্ন জাতের গরু, ছাগল ও মহিষ। তবে অধিকাংশ ক্রেতাই পশু দেখে, দাম জিজ্ঞেস করে আবার ফিরে যাচ্ছেন।
চাঁদগাজী থেকে আসা মোস্তফা ব্যাপারি বলেন, ‘২৬ তারিখের পর সবচেয়ে বেশি বেচাকেনা হবে। এখনো মানুষ কিনতেছে না। দাম শুনে চলে যাচ্ছে। গরু কিনে রাখার ও পালনের একটা বিষয় আছে। তাই অনেকে শেষ দিকে কিনবে।
আরেক গরু ব্যবসায়ী হাসান বলেন, ‘মানুষ আসতেছে ও গরুর গায়ে হাত দিয়া দেখতেছে, কিন্তু কিনতেছে না।’ একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানান ব্যাপারি লালন । তিনি বলেন, ‘মানুষ দরদাম করছে, কিন্তু কেনা কম। হাটে আসা ক্রেতাদের মধ্যে অনেকেই দেশি গরুর খোঁজ করছিলেন।
পশ্চিম দেব পুরের বাসিন্দা বাবু শিকদার বলেন, বেশিরভাগ খামারের গরু। দেশি গরু খুঁজতেছিলাম। দেখে-শুনে পরে নিয়ে যাবো। ঈদের দুই-তিনদিন আগে কিনলে বাচ্চারা গরুকে খাওয়াতে পারে, সময় কাটাতে পারে। কোরবানির ঈদের আনন্দই এটা।’
এদিকে, হাটে আসা দর্শনার্থীদের নজর কাড়ছে মহিষ। আমজাদহাট থেকে ২টি মহিষ নিয়ে এসেছেন কাজল। তিনি পশু ২টির নাম রেখেছেন ‘কিম জং উন’, অপরটির নাম সম্রাট। এদের দাম হাঁকছেন সাড়ে চার লাখ টাকা। অন্যদিকে, হাট ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিক্রেতারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |