ফুলগাজী প্রতিনিধি:
ভারত থেকে আসা উজানের পানিতে মুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। ফুলগাজী আমজাদহাট এলাকার মণিপুরে লোকালয়ে প্রবেশ করছে মহুরি নদীর পানি।
এদিকে গতকাল সন্ধ্যায় এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মহুরি নদীর পানি বিপদসীমার ১১ দশমিক ৬৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল বলে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সুত্র জানায়। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে ধেয়ে আসা ঢলের কারণে মুহুরী নদীর পানি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের বেশ কয়েকটি দুর্বল পয়েন্ট ঝুঁকিতে রয়েছে।
টানা বর্ষণ ও ভারতীয় পাহাড়ি ঢলের কারণে মুহুরী নদীতে পানি হুর হুর করে বাড়ছে। এই নদীতে পানির বিপৎসীমা ১২ দশমিক ৫৫ সেন্টিমিটার। এর ফলে নদীট পানি প্রায় বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই। মুহুরী নদীতে হঠাৎ পানি বেড়ে যাওয়ায় ফুলগাজী উপজেলার আমজাদহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ মণিপুর এলাকায় মুহুরী নদীর বাঁধ উপচিয়ে লোকালয় পানি ঢ়ুকতে শুরু করেছে।
ফুলগাজী বাজারের ব্যাবসায়ী মো. আলম জানান, দুপুরের পর থেকে সন্ধ্যার মধ্যে নদীর পানি হুর হুর করে বাড়তে থাকে। তবে উজানে বৃষ্টি বন্ধ না হলে পানি আরও বাড়তে পারে। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ফুলগাজী উপজেলার আমজাদহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ মণিপুর এলাকায় মুহুরি নদীর পানি বাঁধ উপচিয়ে মনিপুর গ্রামের একাংশ প্লাবিত হয়েছে। লোকালয়ে পানি প্রবেশ করায় স্থানীয় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
ফুলগাজী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হোসেন গতকাল সন্ধ্যায় নদীর পানি বাড়তেছে বলে তার এক ফেসবুক স্ট্যাট্যাসের মাধ্যমে এলাকাবাসীকে আতঙ্কিত না হওয়ার অনুরোধ করেন।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ফেনীর নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, নদীতে পানি বাড়লেও নিয়মিত মনিটর করা হচ্ছে। মুহুরী-কহুয়া-সিলোনিয়া নদীর বেড়িবাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশগুলো মেরামতের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা তৎপর রয়েছেন। তিনি বলেন, উজানে বৃষ্টি বন্ধ হলে নদীর পানি এমনিতেই কমে যাবে।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |