শহর প্রতিনিধি:
ফেনীর সিভিল সার্জন ও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ রুবাইয়াত বিন করিমকে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে ওএসডির সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ না থাকায় বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে তাকে মহাখালীস্থ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে সংযুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জেলার দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য প্রশাসনিক পদে দায়িত্ব পালনকারী এই কর্মকর্তার আকস্মিক ওএসডির ঘটনায় ফেনীতে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ডা. রুবাইয়াত বিন করিম দীর্ঘদিন ধরে ফেনীর সিভিল সার্জন ও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে তার ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে বলে বিভিন্ন মহল দাবি করেছে। তার দায়িত্বে ফেনী জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ শৃঙ্খলিত হয়েছে এবং স্বাস্থ্যসেবার মান বেড়েছে বলে দাবী করেন স্থানীয়রা।
এদিকে একটি অসমর্থিত সূত্রে জানা গেছে। সম্প্রতি জেলা স্বাস্থ্য বিভাগে একটি নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সাথে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে তিনি পদায়ন করেন। নিয়োগের সময়ে সিভিল সার্জন ডাক্তার রুবাইয়াত তার উর্ধ্বতন এক কর্মকর্তার সুপারিশকৃত ব্যক্তিকে নিয়োগের ব্যবস্থা না করায় জনৈক ব্যক্তি ক্ষুব্দ হন। ওই ব্যক্তি মন্ত্রণালয়ে তদ্বির করে সিভিল সার্জনকে ওএসডি করেছেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।
স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের মতে, জেলার স্বাস্থ্য খাতের দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদে একযোগে পরিবর্তন আনা হলে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে সাময়িক প্রভাব পড়তে পারে। তারা দ্রুত পদগুলোতে যোগ্য কর্মকর্তা পদায়নের দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে ওএসডির পেছনের কারণ সম্পর্কে বিভিন্ন মহলে আলোচনা থাকলেও এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. মোহাম্মদ রুবাইয়াত বিন করিম বলেন, আমাকে কেন ওএসডি করা হলো বা এর পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা আমার নিজেরও জানা নেই। সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে বদলি হওয়াটা স্বাভাবিক বিষয়। তবে কোনো কারণ ছাড়া কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, সে বিষয়ে আমি অবগত নই।
জেলার স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ও তাকে পূন:বহালে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় জনগণ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |