স্টাফ রিপোর্টার
ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের পশ্চিম জয়নারায়ণপুর এলাকায় জায়গা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধকে মারধর ও আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. চাঁন মিয়া দাগনভূঞা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে পশ্চিম জয়নারায়ণপুর এলাকার বাসিন্দা সোহেল (২৮), লাকী (৩০), খোদেজা পাকি (২৬) ও কুরুম (২২)-সহ অজ্ঞাতনামা ১/২ জনকে বিবাদী করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বসতবাড়ির জায়গা নিয়ে প্রতিবেশীদের সঙ্গে চাঁন মিয়ার বিরোধ চলছিল। এ বিষয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হলেও সমাধান না হওয়ায় বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায় এবং বর্তমানে মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
লিখিত অভিযোগে চাঁন মিয়া উল্লেখ করেন, গত রোববার বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে অভিযুক্তরা তার জায়গায় জোরপূর্বক বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের কাজ শুরু করেন। এ সময় তার ছেলে বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্তরা লাঠিসোঁটা নিয়ে তার বাড়িতে প্রবেশ করে হামলা চালায় এবং তার ছেলেকে মারধর করে।
ছেলের চিৎকার শুনে তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে অভিযুক্ত সোহেল ইট দিয়ে তার মাথায় আঘাত করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং মাথায় রক্তাক্ত জখম হয়। পরে তাকে দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ্ েনেওয়া হলে মাথায় দুইটি সেলাই দেওয়া হয়।
এ সময় তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসা তার মেয়েকেও মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে। হামলার সময় ভুক্তভোগীরা চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করেন। পরে অভিযুক্তরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
আহত চাঁন মিয়া বলেন, “জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। ঘটনার দিন আমি ঝগড়া থামাতে গেলে আমাকে মাথায় আঘাত করা হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছে।”
এ ঘটনায় দাগনভূঞা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী।
এ বিষয়ে জানতে দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজিমের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তবে অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |