| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

অধ্যক্ষ মাওলানা আবুল হাশেমের মৃত্যুবার্ষীকিতে স্মরণসভা ও দোয়া ‘অধ্যক্ষ আবুল হাশেম ছিলেন মানুষ তৈরির কারিগর’

রিপোর্টারের নামঃ Reporter
  • আপডেট টাইম : 15-06-2026 ইং
  • 790 বার পঠিত
অধ্যক্ষ মাওলানা আবুল হাশেমের মৃত্যুবার্ষীকিতে স্মরণসভা ও দোয়া  ‘অধ্যক্ষ আবুল হাশেম ছিলেন মানুষ তৈরির কারিগর’
ছবির ক্যাপশন: অধ্যক্ষ মাওলানা আবুল হাশেমের মৃত্যুবার্ষীকিতে স্মরণসভা ও দোয়া ‘অধ্যক্ষ আবুল হাশেম ছিলেন মানুষ তৈরির কারিগর’


শহর প্রতিনিধি: 

আল জামেয়াতুল ফালাহিয়া কামিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা আবুল হাশেমের ১৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

গতকাল সোমবার দুপুরে অধ্যক্ষ মাওলানা আবুল হাশেম ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ফালাহিয়া মাদরাসা অডিটোরিয়ামে মাদরাসার অধ্যক্ষ মুফতি ফারুক আহমেদের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মাদরাসার গভর্নিং বডি সভাপতি অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়া। 

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, দারুল ইসলাম সোসাইটির চেয়ারম্যান ও মাদরাসার ফকিহ মুফতি আব্দুল হান্নান, মাদরাসার গভর্নিং বডির সদস্য অধ্যাপক আবু ইউছুপ, উপাধ্যক্ষ মাওলানা মাহমুদুল হক ও সিনিয়র শিক্ষক আবু বকর সিদ্দিক মানিক।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, মরহুমের ছেলে এডভোকেট সাইফুল্লাহ নোমান, ফেনী মডেল দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা দেলোয়ার হোসেন ও রিবাতুল মিল্লাত মাদরাসার চেয়ারম্যান মাওলানা সাইফুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়া বলেন, “প্রতিষ্ঠান গড়ার জন্য যেটা প্রয়োজন সেটা হলো তাকে নির্লোভ হতে হবে। এটা না হলে প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। মরহুম আবুল হাশেম সাহেবের কাছে এ গুনটা ছিল। দুনিয়ার প্রতি তার কোন লোভ ছিল না। এ জন্য তার দ্বারা প্রতিষ্ঠান করা সম্ভব হয়েছে। উক্ষনি ছিলেন মানুষ তৈরি করার কারিগর। উনি মানুষ তৈরি করেছেন।”

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মুফতি আব্দুল হান্নান বলেন, “ অধ্যক্ষ আবুল হাশেম সাহেব একটি জীবন ও একটি ইতিহাস। তিনি এত জ্ঞাণী ছিলেন যে তার সাথে যারা ছিল তারাও সহযে বুঝতো না। তিনি সাধাসিধে জীবন-যাপন করতেন। আবুল হাশেমের মধ্যে কোন লোভ ছিলো না, তিনি ছিলেন নির্লোভ। তিনি ছিলেন নিরহংকারী, পরিশ্রমী ও ধৈর্যশীল। তিনি দ্বীনের জন্য খেদমত করে গেছেন। শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদান রেখেছিলেন তিনি। তিনি ছিলেন দ্বীনের দায়ী ছিলেন।”

অধ্যাপক আবু ইউছুপ বলেন, “অধ্যক্ষ হাবুল হাশেম আদর্শ মানুষ ও জাতি তৈরির কারিগর ছিলেন। তিনি আদর্শ শিক্ষক ছিলেন না শুধু, তিনি আদর্শ মানুষও ছিলেন। তিনি অতি জ্ঞাণী ছিলেন। এত জ্ঞান থাকার পরও তিনি ছিলেন সাধারণ। তিনি কখনো অহংকার করতেন না। তিনি সাদাসিধে জীবন-যাপন করতেন। দ্বীনি আন্দোলনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তার অনন্য অবদানের জন্য তাকে আমরা আজীবন স্মরণে রাখবো।”

মুফতি ফারুক আহমেদ বলেন, “মাওলানা আবুল হাশেম সাহেবের সাথে ১০ বছর কাছাকাছি থেকে উনাকে অনুসরণ করেছি ও দেখেছি। এ ১০ বছরে উনার সাথে কখনো মনমালিন্য হয়নি। আবুল হাশেম সাহেব ছিলেন আদর্শ শিক্ষক। আবুল হাশেম সাহেব ছিলেন নির্মোহ শিক্ষক। তিনি ৪০ বছর শিক্ষকতা করেছেন। তারওরও তার কোন টাকা ছিলো না। টাকার প্রতি তার কোন লোভ ছিল না। তিনি অসুস্থ অবস্থাও ছাত্রদের খোঁজ নিতে চলে গেছেন এমনও আছে। তিনি ছাত্রদের ছাড়ূ কিছু বুঝতেন না। আবুল হাশেম সাহেবের যে অনুকরণীয় আদর্শ তা আমাদেরও মেনে চলতে হবে।”

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ ডেইলি ষ্টার লাইন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ICT- Starline Group