দাগনভূঞা প্রতিনিধি:
দাগনভূঞা শহরে রাত হলেই অটোরিকশা, সিএনজির দখলে ফেনী নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়ক। এতে হাইওয়ে সড়কে যানজট ও সাধারণ জনগন ভোগান্তিতে পড়েন। রাতে যে যেমন খুশি তেমনি ব্যবহার করছেন এ সড়কটি। নিয়মনীতির কোন তোয়াক্কা করছেন না এ যানবাহনগুলো। পৌর প্রশাসক থেকে বারবার নির্দেশনা দেয়া হলেও কেউ মানছেন না এ নিয়ম। অন্যদিকে আতাতুর্ক স্কুল মার্কেট, ইসহাক শপিং কমপ্লেক্স, বসুর হাট রোড়, জিরো পয়েন্ট, ফাজিলের ঘাট রোড় প্রতিনিয়ত যানজটে দিশেহারা যাত্রী সাধারণ ও যানবাহন।
রাতে কোন ট্রাফিক পুলিশ কিংবা যানবাহন নিয়ন্ত্রনে কাউকে দেখা যায় না। সেক্ষেত্রে জিরো পয়েন্ট ও সড়কের প্রধান প্রধান প্রবেশ পথে দেখা যায় সিএনজি ও অটোরিকশার যত্রতত্র পার্কিং। তার সাথে যুক্ত রয়েছে অসংখ্য ভ্রাম্যমাণ দোকানী। অভিযান চলে, জরিমানা ও উচ্ছেদ অভিযান ও হয় কিন্ত পরবর্তীতে সে একই চিত্র। কে শুনে কার কথা। প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা হিসেবে যে সৌন্দর্য কিংবা নিয়মনীতি থাকার কথা সে দিকে কারও নজর নাই বললেই চলে।
অটোরিকশা চালক আবু তাহের জানান, সারাদিন যাত্রী কম থাকে। রাতে একটু বাড়ে। সারাদিন ২/৩ শ টাকা ইনকাম করেছি। কিস্তি দিবো কিভাবে আর নিজের খরচ তো আছেই। তাই বিভিন্ন স্থানে যাত্রীর জন্য ঘুরাঘুরি করি তবে যেখানেই দাঁড়াই সেখানেই বাঁধা দেয় দোকানদারেরা। অন্যদিকে অটোরিকশা দাগনভূঞা অনেকে বেড়েছে। আগে এত অটোরিকশা ছিলো না। তুলনামূলকভাবে রোজগার কমে গেছে বলে জানান তিনি।
ভ্রাম্যমান দোকানী আবদুর রাজ্জাক জানান, সিএনজি ও অটোরিকশা না থাকলে বেচা বিক্রি কমে যায়। তাদের পার্কিং করার কোন নিদিষ্ট জায়গা নেই। আমাদের ও কোন নিশ্চয়তা নেই। তবে আমার উপার্জনের উপর আমার পরিবার চলে সে বিষয়টি ও বিবেচনায় আনা দরকার।
দাগনভূঞা বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সেক্রেটারি জসিম উদ্দিন লিটন জানান, অটোরিকশা ও সিএনজি পার্কিং বিষয়ে যথাসাধ্য চেষ্টা করছি শৃংখলা ফিরে আনতে। কিন্ত সুনির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করা হলেও রাতে কেউ তা পালন করে না। এতে এলোমেলো পার্কিং এর কারনে যেকোন সময় দূর্ঘটনার শঙ্কা রয়েছে বলে জানান তিনি।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |