স্টাফ রিপোর্টার:
গণধর্ষণসহ অর্ধশতাধিক মামলা দিয়ে হয়রানি এবং পুলিশের ওপর হামলা করে হ্যান্ডকাফসহ পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগে পলাতক জাল কবিরকে গ্রেপ্তারের দাবিতে ফেনীতে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা।
সোমবার দুপুরে ফেনী জেলা জজ কোর্ট প্রাঙ্গণে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ফুলগাজী উপজেলার আমজাদহাট ইউনিয়নের উত্তর ধর্মপুর, কিল্লাদিঘী ও তালপাড়িয়া এলাকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন।
মানববন্ধনে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, ছাগলনাইয়া সুবেদারি রাস্তার মাথায় মাস্টার ম্যানশনে আবদুর রহমানের ভাড়া বাসায় কাজের বুয়া হাজেরা আক্তারের সঙ্গে জাল কবিরের লোকজনের পূর্বপরিকল্পিতভাবে আপসের মাধ্যমে শারীরিক সম্পর্কের ঘটনা ঘটানো হয়। পরে ওই ঘটনাকে গণধর্ষণের ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন করে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয় বলে দাবি করেন তাঁরা।
ভুক্তভোগীদের আরও অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের বিরুদ্ধে অর্ধশতাধিক মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। সর্বশেষ গণধর্ষণের মামলাটিও তাঁদের বিরুদ্ধে হয়রানির উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে দাবি করেন তাঁরা।
ভুক্তভোগী নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে জাল কবির চক্রের মামলায় জর্জরিত। এখানে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা বয়স্ক মানুষগুলো সবাই এ চক্রের মামলার শিকার। সর্বশেষ আমাদের বিরুদ্ধে যখন কোনো কূল-কিনারা পাচ্ছিল না, তখন জাল কবিরের ভাই কাজের বুয়া হাজেরা আক্তারের সঙ্গে আপসে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে সাজানো গণধর্ষণ মামলা দেন। আমরা গত ১ অক্টোবর ওই মামলা থেকে খালাস পেয়েছি।’
মোহাম্মদ আবদুল লতিফ বলেন, ‘জাল কবির ও তার পুরো চক্র আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছে। আমরা মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছি। আমরা চাই, জাল কবিরকে গ্রেপ্তার করা হোক। সে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে পালিয়ে গিয়েছিল। তাকে গ্রেপ্তার করা হলে কেউ আর এমন করার সাহস পাবে না।’
আরেক ভুক্তভোগী জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘জাল কবির আমাদের দীর্ঘদিন ধরে হয়রানি করেছে। মিথ্যা মামলায় আমাদের ফাঁসানো হয়েছে। আমরা চাই, জাল কবির ও তার ভাইকে গ্রেপ্তার করা হোক।’
ভুক্তভোগীদের দাবি, গত বছরের জুলাইয়ে গণধর্ষণ মামলায় জাল কবিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হ্যান্ডকাফসহ তিনি পালিয়ে যান। এরপর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন বলে দাবি করেন তাঁরা।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ভুক্তভোগী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা জাল কবিরকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোর সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |