নিজস্ব প্রতিনিধি:
গার্মেন্টস কর্মি আয়েশার কুঁড়ে ঘরে বৈদ্যুতিক সংযোগ স্থাপনে, ডুপ্লেঙ্ ভবন মালিক আবদুর রবের বাঁধা শিরোনামে খবর প্রকাশ করায় গ্রীন টেলিভিশন ও দৈনিক ডেসটিনির ফেনী জেলা প্রতিনিধি এবং ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশনের কেন্দ্রীয় সদস্য, ফখরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় অব্যাহতি দিয়েছে আদালত।
গতকাল সোমবার দুপুর ১২ টায় চার্জ ঘটনের শুনানি শেষে এই অব্যাহতির আদেশ দেন ফেনী জুডিশিয়ার আদালত ৩ এর বিচারক মোরশেদ মাহমুদ খান।
এর আগে গত ২৩ অক্টোবর ২০২৫ সালে, অসহায় গার্মেন্টস কর্মি আয়েশার কুঁড়ে ঘরে বৈদ্যুতিক সংযোগ স্থাপনে বাঁধা ও এসিড নিক্ষেপের হুমকির অভিযোগ শিরোনামে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ করেন ফখরুল ইসলাম। খবর প্রকাশের পর বিষয়টি পল্লী বিদ্যুৎ অফিস ফেনী এর নজরে আসলে, বাঁধা দানকারী আবদুর রব ও গার্মেন্টস কর্মি আয়েশার জমির মালিকানা চেক করতে কাগজ পত্র লিগ্যাল এডভাইজারের কাছে প্রেরন করেন। লিগ্যাল এডভাইজার সব কিছু যাচাই বাচাই করে আয়েশার ঘরে মিটার সংযোগ দিতে কোন বাঁধা নেই মর্মে আদেশ দেন।
গত ৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে মিটারে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন আয়েশার বাড়িতে গেলে পূর্বের ন্যায় নিজের জায়গা দাবি করে আবদুর রব ও তার পরিবার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আয়েশা ও বিদ্যুতের লোকজনকে ধাওয়া ও মারধর করে। খবর পেয়ে গণমাধ্যম কর্মি ফখরুল তার ক্যামেরাম্যানসহ ঘটনাস্থলে যেতে চাইলে রাস্তায় আবদুর রব ফখরুলের উপর হামলা করে মোবাইল চিনতাই করে নিয়ে যায়।
হামলার স্বীকার হয়ে আহত অবস্থায় স্থানীয় কোরাইশ মুন্সি পুলিশ পাড়িতে দায়িত্বরত ইনচার্জ কে ঘটনার বিবরন জানালে, পুলিশ সাংবাদিকের উপর হামলা ও মোবাইল চিনতাই এর অভিযোগে থানায় মামলা দিতে পরামর্শ দেন এবং হামলাকারী আবদুর রবকে গ্রেফতার করেন। জামিনে বের হয়ে ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে তার স্ত্রীকে বাদী করেমারধরের অভিযোগ এনে গার্মেন্টস কর্মি আয়েশা, আয়েশার ছেলে, বোনজামাই ও সাংবাদিক ফখরুলকে ৩ নং আসামী করে কোর্টে হয়রানিমূলক মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা দায়ের করেন।
আইনজীবীদের যুক্তি তর্ক শেষে আদালত সাংবাদিক ফখরুল ইসলামকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে, বাকী ২ জনের বিরুদ্ধে চার্জ ঘটনের আদেশ দেন।
মামলা থেকে খালাস পেয়ে গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মি ফখরুল ইসলাম জানান, সত্যকে কোনদিন মিথ্যা দিয়ে আড়াল করা যায় না। হয়ত সাময়িক হয়রানি হতে হয়েছে। আমি মিথ্যা মামলায় হয়রানি হলেও আয়েশার কুঁড়ে ঘরে অন্ধকার দুর করে বিদ্যুতের আলো জ্বালাতে কলমের শক্তি দিয়ে লড়াই করতে পেরেছি এবং সফল হয়েছি। ক্ষুদ্র গণমাধ্যম কর্মি হিসাবে এটা আমার বড় প্রাপ্তি। এই প্রাপ্তি বাকী জীবনে উৎসাহ হিসাবে কাজ করবে ইনশাআল্লাহ। যে গণমাধ্যম কর্মিরা প্রথম থেকেই আমার পাশে ছিল এবং যে আইনজীবীরা বিনা পারিশ্রমিকে সত্যের পক্ষে দাড়িয়েছে সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |