নিজস্ব প্রতিনিধি
ফেনীতে প্রবাসী হামিদুল হকের ছেলে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পলাতক নেতা কামরুল হাসানকে ধরতে গিয়ে ডাকাত সন্দেহে গ্রামবাসীর হাতে আটক হয়েছেন যুবদলের ৩ কর্মী। গত মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত বিভিন্ন দেনদরবারের পর সমঝোতার মাধ্যমে দুপুরে আটক তিনজনকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।
জানা গেছে, গত মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে জেলার দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের আলামপুর গ্রামের বড় বাড়ির আরব আমিরাত প্রবাসী হামিদুল হকের বাড়ি থেকে যুবদলের তিন কর্মী মোহাম্মদ একরাম, গোলাম মাওলা ও হৃদয়কে আটক করে গ্রামবাসী। তাদের দাবি ২০২৪ এর ৫ আগস্টের পর পালিয়ে থাকা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এক নেতা ওই বাড়িতে অবস্থান করছে এমন খবরে আশপাশের লোকজন বাড়িটি ঘেরাও করে।
স্থানীয়রা দাবি করেন, রাতে দুটি সিএনজি অটোরিকশাযোগে ওই বাড়িতে যায় ১০-১২ জনের একটি দল। এসময় বেশ কয়েকটি বোমার বিষ্ফোরণ ঘটানোর পর এলাকাবাসী বাড়িটি ঘেরাও করে তিন যুবককে আটক করে মারধর করে বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে বেঁধে ফেলে। একপর্যায়ে যুবদল পরিচয়ধারী জসিম উদ্দিন বাবু ও তার ছেলে জাহিদ হাসান মিস্টার সরকার দলীয় দাবীদার আরও কয়েকজনকে সাথে নিয়ে তাদের ছাড়িয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। তখন গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে আটক ৩ জনকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এঘটনায় রাতেই ভুক্তভোগী হামিদুল হক পুলিশের সঙ্গে থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে দাগনভূঞা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমান জানান, বিষয়টি ডাকাতির ঘটনা নয়। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এক পলাতক নেতাকে ধরতে ওই ৩ যুবক সেখানে গিয়েছিল। থানায় নিয়ে আসার পর উভয় পক্ষের সম্মতিতে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।
০০০
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |