দাগনভূঞা প্রতিনিধি:
দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলে সহাবস্থানের পরিবেশ তৈরি করে একটি শান্তিপূর্ণ দাগনভূঞা গড়ার কথা ব্যক্ত করেছেন নাগরিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। তাঁরা বলেন, রাজনীতি হবে শান্তিপূর্ণ ও দায়িত্বশীল। এই সহাবস্থানের পরিবেশ বজায় রাখতে পারলে দাগনভূঞাসহ সমগ্র ফেনীবাসী স্বস্তি পাবে।
সোমবার সকালে দাগনভূঞা পৌর শহরের স্টার রেডিসন কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত ‘শান্তি সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় দায়িত্বশীল রাজনীতি ও পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন’ শীর্ষক এক নাগরিক সংলাপে বক্তারা এসব কথা বলেন। ‘সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি)।
পিএফজির সদস্য ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমান হিরোর সভাপতিত্বে ও পিএফজি কো-অর্ডিনেটর কাজী ইফতেখারুল আলমের সঞ্চালনায় সংলাপে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, জেলা জামায়াতের শূরা সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এএসএম নূর নবী দুলাল, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নিজাম উদ্দিন ভূঞা হুদন, সুজন দাগনভূঞা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আবদুল্লাহ আল-মামুন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হায়দার, ইসলামী আন্দোলনের সহ-সভাপতি মাওলানা হেদায়েত উল্যাহ, সাংবাদিক ইদ্রিস রিয়াদ, সাখাওয়াত হোসেন টিপু, উজ্জীবক আর্ট স্কুলের পরিচালক গিয়াস উদ্দিন ভূঞা, ইউপি সদস্য সেলিনা মমতাজ ও এনসিপি নেতা মওদুদ রহমান, ইয়ুথ পিস এম্বাসেডর গ্রুপের সমন্বয়ক মোকাররম হোসেন পিয়াস, যুগ্ম সমন্বয়ক নুসরাত জাহান নিঝুম।
সংলাপে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা এএসএম নূর নবী দুলাল বলেন, আমরা যদি মনে করি আমাদের রুজিটা হালাল হতে হবে। বক্তৃতা আমরা অনেক বড় বড় কথা সবাই বলি কিন্তু বাস্তবে আমরা সেগুলো মানি না। আমাদেরকে প্র্যাক্ট্রেসিং হতে হবে। অবৈধ কাজ বন্ধ করে, ভালো কাজ করতে হবে। রাজনৈতিক নেতারা যদি ভালো মানুষ হয়, দেশটা ভালো হয়ে যাবে। রাজনীতিটা মানুষের জন্য করতে হবে। আত্মসমালোচনা করে ভুল শুধরাতে হবে। মানুষকে শ্রদ্ধা ও সম্মানের চোখে দেখতে হবে।
বিএনপি নেতা নিজাম উদ্দিন ভূঞা হুদন বলেন, আমরা একসময় ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করেছি। রাজপথে সকল রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে চাই। এটাই আমাদের বড় প্রত্যাশা।
সংলাপে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। আলোচনা শেষে বক্তারা একটি সংঘাতমুক্ত ও সম্প্রীতির ফেনী গড়ার লক্ষ্যে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার সর্বসম্মত অঙ্গীকার প্রকাশ করেন।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |