স্টাফ রিপোর্টার:
“ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ান, শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি কমান- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে এবং জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের বাস্তবায়নে ফেনীতে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়েছে।
গতকাল রোববার সকালে ফেনী সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ্ েআয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলার ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম সোহরাব আল হোসাইনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন ফেনী জেলা প্রশাসক মনিরা হক।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক ও ফেনী পৌরসভার প্রশাসক মো. দিদারুল আলম।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা নাসরিন কান্তা, ফেনী সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফাহমিদা আক্তার, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. ইমাম হোসেন, ডা. আমির খসরু তারেক, ডা. এ কে এম ফাহাদ এবং ফেনী পৌরসভার মেডিকেল অফিসার ডা. কৃষ্ণ পদ সাহাসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।
জানা যায়, রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সারাদেশের মতো ফেনী জেলাতেও একযোগে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়। এ উপলক্ষে জেলায় ১ হাজার ১২৪টি অস্থায়ী, ৭টি স্থায়ী এবং ৭টি ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রসহ মোট ১ হাজার ১৩৮টি কেন্দ্রে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়।
ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৩০ হাজার ৪৭৩ জন শিশুকে নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ২ লাখ ২৩ হাজার ১২ জন শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ফেনী জেলায় মোট ২ লাখ ৫৩ হাজার ৪৮৫ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
ক্যাম্পেইন সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য জেলার প্রতিটি কেন্দ্রে স্বাস্থ্যকর্মী, স্বেচ্ছাসেবক এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সদস্যসহ প্রায় ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৩৫০ জন দায়িত্ব পালন করেন।
স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, শিশুদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি, অপুষ্টি দূরীকরণ, ভিটামিন ‘এ’-এর ঘাটতিজনিত জটিলতা প্রতিরোধ এবং শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এছাড়া কোনো শিশু যাতে এই কর্মসূচির বাইরে না থাকে, সে লক্ষ্যে দেশব্যাপী টিকাদান কেন্দ্রগুলোতে আরও ৪ দিন পর্যন্ত ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |