পরশুরাম প্রতিনিধিঃ
পরশুরামের প্রথমবারের মতো মাজরা পোকা দমনে পরীক্ষামূলক ভাবে ফেরোমন ফাঁদ (চযবৎড়সড়হব ঞৎধঢ়) ব্যবহার করা হয়েছে। পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড দুবলাচাঁদ গ্রামের প্রায় ১০০ বিঘা জমিতে ৭৮ জন কৃষকের মাঝে মোট ১১৭০ টি ফেরোমন ফাঁদ বিতরন করা হয়েছে। ফেরোমন ফাঁদ (চযবৎড়সড়হব ঞৎধঢ়) এটি মূলত ক্ষতিকারক পোকা দমনের একটি পরিবেশবান্ধব এবং আধুনিক পদ্ধতি। একটি প্লাস্টি
কের বয়ামের ভেতরে একটি ছোট লিওর বা বিশেষ সুগন্ধিযুক্ত ট্যাবলেট থাকে। এই সুগন্ধি স্ত্রী পোকার প্রাকৃতিক গন্ধের মতো কাজ করে। ওই সুগন্ধে আকৃষ্ট হয়ে পুরুষ পোকাগুলো বয়ামের ভেতরে ঢোকে। বয়ামের নিচে সাবানযুক্ত পানি থাকে, যেখানে পড়ে পোকাগুলো মারা যায়। পুরুষ পোকা মারা যাওয়ায় পোকার বংশবৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায়।ফসলের কোনো ক্ষতি হয় না এবং এটি পরিবেশের জন্য নিরাপদ। সাধারণত ধান বা সবজি ক্ষেতে মাজরা পোকা বা অন্যান্য ক্ষতিকারক পোকা দমনে কৃষকরা এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করেন।
বিষমুক্ত নিরাপদ ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যে ধানের জমিতে ব্যবহার করা হচ্ছে ফেরোমন ফাঁদ, যা কৃষকদের কাছে জাদুর বাক্স হিসেবে পরিচিত। ফেরোমন ফাঁদ নতুন একটি প্রযুক্তি যে জমিতে ফেরোমন ফাঁদ স্থাপন করা হয়েছে, সে জমিতে মাজরা পোকার আক্রমন নাই, কিংবা কমে গেছে। এতে করে ধানের জমিতে বিষ বা কীটনাশক প্রয়োগ করার প্রয়োজন হচ্ছে না যার ফলে কৃষকের খরচ কমে যচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ মিজানুর রহমান জানান, বিষমুক্ত ও নিরাপদ ধান উৎপাদন করার জন্য, পরিবেশকে দূষনমুক্ত এবং কৃষকদের উৎপাদন খরচ কমানোর জন্য এ প্রযুক্তি ব্যবহারে কৃষকদের আগ্রহ সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে উপজেলা কৃষি অফিস ৭৮ জন কৃষকের মাঝে মোট ১১৭০ টি ফেরোমন ফাঁদ বিতরন করা হয়েছে (বিঘাপ্রতি প্রতিজন কৃষককে ১৫টি করে)।
দুবলাচাঁদ গ্রামের কৃষক মোঃ সাজ্জাদ হোসেন মজুমদার জানান, এবারের বোরো চাষে সেই ৮০ শতক জমি চাষ করি। গত বছরে মাজরা পোকার কারণে ফসলে অনেক ক্ষতি হয়েছে। এ বছরে ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহারের ফলে এখন পর্যন্ত মাজরা পোকায় তেমন কোন ক্ষতি পরিলক্ষিত হচ্ছে না।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |