ক্রেতারা বলছেন দাম বেশি, কিন্তু চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি থাকায় খামারিদের দুশ্চিন্তা
এস.এন আবছার :
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট।
উপজেলার বিভিন্ন মাঠ, গৃহস্থের উঠান ও বাণিজ্যিক খামার থেকে প্রতিদিন সকাল থেকেই গরু, ছাগল ও ভেড়া বাজারে আসতে শুরু করে। দুপুর গড়াতেই জমে উঠছে বেচাকেনা, যা সন্ধ্যা পর্যন্ত অব্যাহত থাকছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর ঈদুল আজহা উপলক্ষে উপজেলায় বেশ কয়েকটি অস্থায়ী পশুর হাট ইজারা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বাৎসরিক ইজারার আওতায় থাকা হাটগুলোতেও চলছে কোরবানির পশু কেনাবেচা।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে ততই বাড়ছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড়। তবে এবার চাহিদার তুলনায় পশুর সরবরাহ বেশি হওয়ায় কাঙ্ক্ষিত দাম পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন অনেক খামারি ও গরু ব্যবসায়ী।
সোনাগাজী উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এবার উপজেলায় প্রায় সাড়ে ১৮ হাজার কোরবানির পশু প্রস্তুত রয়েছে। এর বিপরীতে সম্ভাব্য চাহিদা প্রায় ১৮ হাজার। অর্থাৎ চাহিদার তুলনায় পশুর সরবরাহ কিছুটা বেশি। মোট পশুর মধ্যে প্রায় চার ভাগের তিন ভাগ গরু এবং বাকি অংশ ছাগল, ভেড়া ও মহিষ।
সোনাগাজী পৌর শহরের পশুর হাটের ইজারাদার রাসেল হামিদি বলেন, “ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্যে বেচাকেনার জন্য আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি। গরুর হাসিল নেওয়া হচ্ছে ৫০০ টাকা এবং ছাগল-ভেড়ার জন্য ২০০ টাকা।”
মতিগঞ্জ বাজারে গরু কিনতে আসা আবদুল মোতালেব আবির বলেন, “গত বছরের তুলনায় এবার পশুর দাম কিছুটা বেশি। বিভিন্ন হাট ঘুরে দেখছি, দাম সহনীয় হলে কিনব, না হলে অন্য বাজারে যাব।”
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নেবু লাল দত্ত জানান, “আমাদের একাধিক ভেটেরিনারি মোবাইল টিম মাঠে কাজ করছে। যাতে অসুস্থ পশু হাটে বিক্রি না হয়, সে বিষয়ে তদারকি করা হচ্ছে। পাশাপাশি পশুর স্বাস্থ্য পরিচর্যা নিয়েও সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিগ্যান চাকমা বলেন, “পশুর হাটগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ, আনসার ও গ্রাম পুলিশ সদস্যরা কাজ করছেন। এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে বাজার ইজারাদারদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |