দাগনভূঞা প্রতিনিধি
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের উপর উগ্র হিন্দুত্ববাদী আগ্রাসনের প্রতিবাদে দাগনভূঞা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার বাদ আসর দাগনভূঞা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে থেকে সর্বস্তরের ওলামায়ে কেরামের আয়োজনে এই বিক্ষোভ মিছিল আয়োজন করা হয়। এতে বিভিন্ন স্তরের ধর্মপ্রাণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
মিছিলটি দাগনভূঞার গূরুত্বপূর্ণস্থানগুলি প্রদক্ষিণ করেন। পরবর্তী মিছিলটি দাগনভূইয়া জিরো পয়েন্টে এসে এক বিক্ষোভ সমাবেশে করেন। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন দাগনভূইয়া আশরাফুল উলূম মাদরাসার সম্মানিত মুহতামিম আল্লামা মুফতী ইউসুফ কাছেমী, সঞ্চালনা করেন মাওলানা মহিউদ্দীন ইউসুফ। সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন আমরা লক্ষ্য করেছি সাম্প্রতিক ভারতের নির্বাচন পরবর্তী মুসলমানদের উপর যেভাবে বর্বরোচিত নির্যাতন ও আক্রমণ করা হচ্ছে তাহা কোন সুস্থ সম্পন্ন মানুষ সহ্য করতে পারে না। এমনকি মুসলমানদের ইবাদতের স্থান আল্লাহর ঘর মাসজিদকে গুড়িয়ে দিচ্ছেন এবং শতবর্ষী মাসজিদকে মন্দির ঘোষণা করছেন এমনকি মুসলমানদের আল্লাহ প্রদত্ত ওয়াজিব কুরবানী করতে নানামুখী বাধা দিচ্ছে। মুসলমানদের কে মাসজিদে ঢ়ুকে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। অনতিবিলম্বে আমরা এদের বিচার চাই। এবং ভারত সরকারকে বলবো মুসলমানদের উপর বর্বরোচিত নির্যাতন বন্ধ করুন নচেৎ আমরা সারা বিশ্বের মুসলিম উম্মাহ এক হয়ে ভারতের বিরুদ্ধে লড়াই করবো ইনশাআল্লাহ।
সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, মাওলানা সাঈদুর রহমান-কৌশল্যা ইসলামিয়া মাদরাসা, মাওলানা শিহাব উদ্দিন- ইমাম উপজেলা জামে মসজিদ, মাওলানা জালালুদ্দিন ফারুক -এনায়েতপুর নূরুল উলূম মাদরাসা, মাওলানা আব্দুর রহীম -খতীব সিলোনিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, মাওলানা ডাঃ আব্দুল মতিন - ছুফি ছদর উদ্দিন মাদরাসা, মাওলানা ইসমাইল - রামনগর দারুস সুন্নাহ মাদরাসা, মুফতি কামরুল হাসান - তালতলী দারুল উলূম মাদরাসা, মাওলানা আতিকুল্লাহ আল মামুন -দারুল কুরআন মাদরাসা, মুফতি আতাউল্লাহ সিরাজী- বেকেরবাজার জমিরিয়া মাদরাসা, মাওলানা হেদায়েত উল্লাহ - ব্যবসায়ী দাগনভূইয়া বাজার, মাওলানা জালালুদ্দিন অলাতলী মাদরাসা, প্রমুখ।
গত ৪ মে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভায় নির্বাচনে কট্টর হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক সংগঠন বিজেপি বিজয় লাভ করে। নির্বাচন পরবর্তী বিজেপির সমর্থকরা পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানদের উপর লুটপাট,হামলা, অমানবিক নির্যাতন, বাড়িঘর ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, মসজিদ, মাদ্রাসা ও কবরস্থান ভাঙচুর ও আগুন ধরিয়ে দেয়, যা চলমান রয়েছে।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |