সোনাগাজী প্রতিনিধি:
সোনাগাজী উপজেলার চর দরবেশ ইউনিয়নের ছোট ফেনী নদীর অব্যাহত ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছে নদীপাড়ের মানুষ। বসতভিটা আর ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে এবার মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচিতে নেমেছে স্থানীয় বাসিন্দারা।
গত ২০২৪ সালের ভয়াবহ বণ্যার সময় প্রবল চাপে মুছুপুর রেগুলেটর ভেঙ্গে যাওয়ায় শুরু হয় এই নদী ভাঙ্গন। মুছাপুর রেগুলেটর পুন:নির্মান না করলে নদী ভাঙ্গন রোধ করা বেশ কঠিন হবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
গত এপ্রিল ও চলতি মে মাসে চরদরবেশ উত্তর চর সাহাভিকারী এলাকায় একাধিকবার মানবন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করে প্রধানমন্ত্রী ও পানিসম্পদ মন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চ মহলের দৃষ্টি আকর্ষনের চেষ্টা করেছে ভাঙ্গন কবলিত এলাকার মানুষ।
মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা জানান, ছোট ফেনী নদীর ভাঙন এখন নিত্যদিনের আতঙ্ক। প্রতিদিনই নদীগর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও চাষের জমি। অনেক পরিবার ইতোমধ্যে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে, আবার অনেকেই ভাঙনের ভয়ে অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন।
নদীপাড়ের মানুষের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ভাঙন অব্যাহত থাকলেও মুছাপুর রেগুলেটর নির্মানসহ কার্যকর কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। মাঝে মধ্যে অস্থায়ীভাবে কিছু উদ্যোগ দেখা গেলেও তা ভাঙন ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে।
চরদরবেশ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপি নেতা আবুল কালাম আযাদ কয়েকটি কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, তিনি বলেন জনপদ ও ফসলী জমি রক্ষায় টেকসই নদী শাসন ব্যবস্থা গ্রহণ, শক্তিশালী বেড়িবাঁধ নির্মাণ এবং দ্রুত জরুরী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি। তিনি বলেন, বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই যদি কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়া হয়, তাহলে পুরো গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সরেজমিন অনুসন্ধান কালে দেখা গেছে, ভাঙ্গন কবলিত এলাকার বেশির ভাগ মানুষ দরিদ্র, তারা এই প্রতিবেদক কে বলেন, আমাদের ভিটে মাটি রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহনের দাবি পূরণ না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করবো।
নদীভাঙনের ভয়াল বাস্তবতায় প্রতিদিনই সংকুচিত হচ্ছে মানুষের জীবন-জীবিকা। এখন দেখার বিষয়, প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ এই জনপদকে কতটা রক্ষা করতে পারে।
সোনাগাজী উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিগ্যান চাকমা বলেন, নদী ভাঙ্গন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড সহ উপজেলা প্রশাসন বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। স্থায়ী সমাধানের জন্য মুছাপুর রেগুলেটর নির্মানসহ সরকার থেকে বড় প্রকল্প প্রয়োজন।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |