স্টাফ রিপোর্টার:
ফেনীর পাছগাছিয়া ইউনিয়নে প্রবাসী পরিবারের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার সকালে পাছগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালাটি বাস্তবায়ন করে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রত্যাশী।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন ফেনী জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন পাছগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো. ওমর ফারুক, ইউএনসিডিএফ-এর জেলা প্রতিনিধি হারুনুর রশিদ মামুন এবং ‘সফল’ প্রকল্পের প্রজেক্ট অফিসার আবদুর রহিম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ‘সফল’ প্রকল্পের প্রজেক্ট অফিসার কাজী সুমাইয়া আক্তার সাফা।
কর্মশালায় বিভিন্ন প্রবাসী পরিবারের সদস্য, ব্যাংকের কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, উদ্যোক্তা ও সমাজসেবকেরা অংশ নেন।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক পরিবার বিদেশে কর্মরত সদস্যদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ওপর নির্ভরশীল। এই রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও অনেক ক্ষেত্রে আর্থিক পরিকল্পনা, সঞ্চয় ও বিনিয়োগ সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞানের অভাবে পরিবারগুলো এই অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার করতে পারে না। ফলে অনেক সময় আয়ের বড় অংশ অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় হয়ে যায় এবং দীর্ঘমেয়াদে পরিবারগুলো অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারে না।
বক্তারা জানান, ‘সফল’ প্রকল্পের আওতায় প্রবাসী পরিবারের সদস্যদের জন্য আর্থিক সাক্ষরতা ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ পরিচালনা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের রেমিট্যান্স ব্যবস্থাপনা, সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে তোলা, আর্থিক পরিকল্পনা করা এবং উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ সম্পর্কে সচেতন করা হচ্ছে। পাশাপাশি সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তাদের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ গড়ে তোলা, বাজার বিশ্লেষণ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসা সম্প্রসারণ বিষয়ে বাস্তবভিত্তিক ধারণা দেওয়া হচ্ছে।
বক্তারা আরও বলেন, প্রশিক্ষণের পাশাপাশি প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের ব্যবসায়িক পরিবেশে এগিয়ে নিতে বাজার সংযোগ, কারিগরি সহায়তা, ব্যবসায়িক পরামর্শ এবং আর্থিক সেবার সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ কারণে প্রকল্পটি বেসরকারি খাত, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও সিভিল সোসাইটি সংগঠনের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।
আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে প্রবাসী পরিবারের সদস্যরা শুধু রেমিট্যান্স নির্ভরতা থেকে বের হয়ে উৎপাদনশীল বিনিয়োগ ও উদ্যোক্তা সৃষ্টির মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক অবদান রাখতে পারবেন। এতে পরিবারগুলো আর্থিকভাবে আরও স্থিতিশীল হবে এবং সমাজে টেকসই অর্থনৈতিক পরিবর্তন ঘটবে।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |