ছাগলনাইয়া প্রতিনিধি
ছাগলনাইয়ায় প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ও অনুমোদন ছাড়াই যত্রতত্র গড়ে উঠেছে অসংখ্য অবৈধ করাতকল (স’মিল)। বন বিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তর ও ফায়ার সার্ভিসের অনুমতি ছাড়াই সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও আবাসিক এলাকায় এসব কল চলায় একদিকে যেমন বনভূমি উজাড় হচ্ছে, অন্যদিকে তীব্র শব্দ ও বর্জ্যে বিপন্ন হচ্ছে জনস্বাস্থ্য।
অভিযোগ রয়েছে, অধিকাংশ স’মিল মালিক এক যুগেরও বেশি সময় ধরে কোনো প্রকার বৈধ নথিপত্র ছাড়াই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। জেলা বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ছাগলনাইয়ায় বর্তমানে ৪৬টি করাতকলের মধ্যে মাত্র ১৬টির বৈধ লাইসেন্স রয়েছে। অর্থাৎ বাকি ৩০টি কলই সম্পূর্ণ অবৈধ। বন আইন-১৯২৭ ও স’মিল বিধিমালা-২০১২ অনুযায়ী, লাইসেন্স ছাড়া মিল পরিচালনা দণ্ডনীয় অপরাধ হলেও প্রশাসনের নাকের ডগায় এসব কার্যক্রম চলছে। এমনকি সীমান্তবর্তী ৫ কিলোমিটারের মধ্যে করাতকল স্থাপনের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও অনেক মালিক তা অমান্য করে মিল পরিচালনা করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা কামরুল হাসান জানান, আবাসিক এলাকায় গড়ে ওঠা এসব কলের বর্জ্য ও ধুলাবালিতে শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন রোগ বাড়ছে। বন বিভাগ গত এক বছরে ৪টি মিলের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও ২টি উচ্ছেদ করলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। অভিযোগ রয়েছে, অনেক মিলে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ থাকলেও পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
ছাগলনাইয়া উপজেলা বন কর্মকর্তা আবু নাছের জিয়াউর রহমান বলেন, আমরা অবৈধ মিল মালিকদের লিখিত নোটিশ দিয়েছি। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে যাতে দ্রুত এসব সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। খুব শীঘ্রই উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।
ফেনী সামাজিক বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, অবৈধ করাতকল সংক্রান্ত ১১টি রিট মামলা আদালতে চলমান থাকায় অনেক মালিক স্থগিতাদেশ (স্টে অর্ডার) নিয়ে মিল চালাচ্ছেন। তবে আইনগত জটিলতা এড়িয়ে অবৈধ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শীঘ্রই যৌথ অভিযান চালানো হবে।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |