স্টাফ রিপোর্টার :
ফেনী বড় বাজারে আগের চেয়ে লেবু, কাঁচা মরিচ ও শশার দাম কমেছে। গতকাল বিকেলে বাজার ঘুরে দেখা যায়, লেবু প্রতি হালি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ১০০ টাকা এবং শশা প্রতি কেজি ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রমজানের শুরুতে এসব পণ্যের দাম তুলনামূলক বেশি ছিল। সে সময় লেবু প্রতি হালি ১০০ টাকা, কাঁচা মরিচ ২০০ টাকা এবং শশা ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। বর্তমানে সরবরাহ কিছুটা বাড়ায় দাম কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। অন্যান্য সবজি আগের মতোই স্বাভাবিক দামে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে সবজি কিনতে আসা মাহির নামে এক ক্রেতা বলেন, বিশেষ কোনো উপলক্ষ এলেই বাজারে সবজি, মাছ ও মাংসের দাম হু হু করে বেড়ে যায়। এতে সাধারণ ভোক্তাদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। অনেক সময় চাহিদামতো কেনাকাটা করা যায় না। প্রশাসন তদারকি জোরদার করলে অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট গড়ে তোলা কঠিন হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
কাঁচামালের খুচরা ব্যবসায়ী আবুল কালাম বলেন, রমজানের শুরুতে যে পরিমাণ সবজি বাজারে আসার কথা, তার তুলনায় সরবরাহ ছিল কম—মাত্র এক থেকে দুই গাড়ি। এ সময় ক্রেতাদের চাপ ও চাহিদা বেশি থাকায় দাম বেড়েছিল।
তিনি আরও বলেন, রমজানের শুরুতে কাঁচা মরিচ ছিল ২০০ টাকা, শশা ১০০ টাকা এবং লেবু প্রতি পিস ২৫ থেকে ৩০ টাকা বা হালি ১০০ টাকা। বর্তমানে মরিচ ১০০ টাকা, লেবু ৫০ থেকে ৬০ টাকা হালি এবং শশা ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া টমেটো ৬০ টাকা, বেগুন ৫০ টাকা, শিম ৫০ টাকা, ফুলকপি ৫০ টাকা, শিমের বিচি ৮০ টাকা ও চালকুমড়া ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বড় বাজারের ডিম ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম জানান, রমজানে ডিমের দাম বাড়েনি; আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। তবে ঈদের আগে দাম কিছুটা বাড়তে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
সার্বিকভাবে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে বাজারদর স্থিতিশীল থাকবে।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |