স্টাফ রিপোর্টার
দাগনভূঞা উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদের স্থায়ী কার্যালয় ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় স্থানে না করে বিতর্কিত এলাকায় নির্মাণের উদ্যোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ইউনিয়নের সচেতন নাগরিকরা। তারা টেন্ডার প্রক্রিয়া স্থগিত এবং বিষয়টি পুনর্বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
গতকাল শনিবার ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সচেতন এলাকাবাসীর পক্ষে জাহাঙ্গীর আলম।
তিনি বলেন, রাজাপুর ইউনিয়ন পূর্বে ফেনী সদর এবং পশ্চিমে সেনবাগ দ্বারা বেষ্টিত। স্থানীয় সরকার বিভাগের ২০১৩ সালের পরিপত্র অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদ ভবন এমন স্থানে নির্মাণ করার নির্দেশনা রয়েছে, যা ইউনিয়নের কেন্দ্রস্থলে, হাট-বাজার সংলগ্ন, বন্যামুক্ত ও জনবহুল এলাকায় অবস্থিত হবে।
তিনি জানান, ওই নির্দেশনার আলোকে কোরাইশ মুন্সী বাজার সংলগ্ন আবদুল নবী মৌজার ২৬ শতক জমি ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণের জন্য ২০২১ সালের ১২ জানুয়ারি স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব বরাবর রেজিস্ট্রি করা হয়। স্থানটি বন্যামুক্ত ও ইউনিয়নের মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত। এছাড়া সেখানে গ্রোথ সেন্টার, পুলিশ ফাঁড়ি, স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ্সহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। স্বাধীনতার পর প্রায় ৩৫ বছর ইউনিয়ন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ও সেখানে পরিচালিত হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, এসব বিষয় উপেক্ষা করে ২০২১ সালের ২৭ এপ্রিল তৎকালীন সরকারের সময় ইউনিয়নের এক প্রান্তে উত্তর রাজাপুর এলাকায় ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়। সেখানে জমি সংক্রান্ত নানা অসঙ্গতি রয়েছে বলেও দাবি করেন ।
জাহাঙ্গীর আলম আরও বলেন, ভূমির অসঙ্গতির বিষয়ে জানতে ২০২৫ সালের ১৮ নভেম্বর জেলা প্রশাসকের কাছে মতামত চাওয়া হয়। পরে বিষয়টি তদন্ত ও পরিদর্শনের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হলেও দীর্ঘ ৫ মাস পর প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানো হয়। বর্তমানে সেটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পর্যালোচনাধীন রয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, বিষয়টি নিষ্পত্তি না হলেও পূর্বের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার যোগাযোগের মাধ্যমে উত্তর রাজাপুর মৌজায় ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণের লক্ষ্যে গত ১৭ মে ২০২৬ তারিখে বিতর্কিত ই-টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। এসময় মাহবুবুর রহমান নামে এক ব্যক্তি বলেন এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ইউনিয়নের প্রায় ১ লাখ মানুষের মধ্যে অন্তত ৭০ হাজার মানুষ ভোগান্তির শিকার হবেন বলে অভিযোগ করেন । তাই বৃহত্তর জনস্বার্থে অবিলম্বে টেন্ডার প্রক্রিয়া স্থগিতের দাবি জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, ওলি আহমদ চৌধুরী, মাওলানা বেলাল হোসেন, এয়াকুব আলী হক, মাহবুবুর রহমান, নিজাম উদ্দিন ও সাফায়েত উল্লাহ।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |