দাগনভূঞা প্রতিনিধি
দাগনভূঞা উপজেলা ১ নং সিন্দুরপুর ইউনিয়ন সত্যপুর গ্রামে মিয়া বাড়ি থেকে নসরতপুর সংযোগ সড়ক উন্নয়ন কাজে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
সরেজমিনে ঘুরে ও স্থানীয় এলাকাবাসী থেকে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সত্যপুর গ্রামের অবহেলিত মিয়া বাড়ি থেকে নসরতপুর সংযোগ সড়কটি সংস্কার ও উন্নয়ন কাজের জন্য কাবিখা প্রকল্পে ৭ টন গম বরাদ্দ দেন দাগনভূঞা উপজেলা পিআইও অফিস। "ইঞ্জিনিয়ার গিয়াস উদ্দিনের বাড়ির রাস্তা সংস্কার" নামে প্রকল্প সভাপতি হয়ে কাজটি আনেন সাবেক এলজিইডি কর্মকর্তা প্রকৌশলী গিয়াস উদ্দিন। প্রথম কিস্তির গম উত্তোলন করে রাস্তায় ২০ ট্রাক মাটি, রাস্তার পাশে কয়েকটি জায়গায় ২ ফুট ওয়াল ও বদলা দিয়ে জমির কাছ কাটার মত করে ঘাস ঝোপঝাড় পরিস্কার করে কাজ শেষ হয়েছে মর্মে ২য় কিস্তির গম ছাড়ের আবেদন করেন প্রকল্প সভাপতি ইন্জিনিয়ার গিয়াস উদ্দিন।
স্থানীয় যুবদল নেতা আলাউদ্দিন মিস্টার বলেন, এখানে সর্বোচ্চ ৫০-৬০ হাজার টাকা খরচ করেছেন তিনি। কোন রকম কয়েকজন বদলা নিয়ে জমির কাছ কাটার মত করে এদিকের মাটি সেদিকে সেদিকের মাটি এদিকে করে কাজ শেষ করেছেন। তা ছাড়া তিনি মাটি ক্রয় না করে পাশের জমি থেকে মাটি কেটে রাস্তায় ফেলেছেন। প্রকৃত অর্থ তিনি এই রাস্তায় ব্যয় করলে এটি আরো ৫ থেকে ৬ ফুট উঁচু হওয়ার কথা। মূলত তিনি কোন রকম দায়সারাভাবে কাজ শেষ করে প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ করার চিন্তা করছেন।
প্রকল্প সেক্রেটারি মো মহসিনুল হক বুলু জানান, গিয়াস উদ্দিন সাহেব প্রথম কিস্তির টাকা থেকে আমাকে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে কাজ শুরু করতে বলেন, আমি ১৬০০ টাকা করে রাস্তায় ২০ ট্রাক মাটি ভরাট করি, এছাড়া প্রকল্প শুরু হওয়ার আগে রাস্তায় আরো ১৭ হাজার টাকার কাজ করি সর্বমোট আমি ৬০ হাজার ৫০০ টাকা খরচ করি। এর পর থেকে আমি দেখলাম তিনি রাস্তার ২ পাশে ওয়াল করতে ১৪০০ ইট, ৬ বস্তা সিমেন্ট, ৫০ ফুট বালু এনে ৬ জন লেবার নিয়ে কাজ শেষ করেন। আমার হিসাবে ৮৫ থেকে ৯০ হাজার টাকার মত রাস্তার উন্নয়ন কাজে খরচ করেছেন।
অনিয়মের বিষয়ে মুঠোফোনে প্রকল্প সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার গিয়াস উদ্দিন জানান, প্রথম কিস্তির টাকা উত্তোলন করে আমরা যে কাজ করেছি তাতে আমাদের থেকে আরো টাকা লেগেছে। ২য় কিস্তির টাকা উত্তোলন করে রাস্তার কাজ শেষ করে যদি ব্যালেন্স থাকে সেগুলো দিয়ে আমরা রাস্তা সলিং করবো।
তিনি গণমাধ্যম কর্মিকে আরো বলেন আপনাকে আমি এত হিসাব দিতে বাধ্য নই আপনি আমার সাথে দেখা করলে বিস্তারিত বলবো। আপাদত খবর প্রকাশ করবেন না।
অনিয়মের বিষয়ে মুঠোফোনে উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম জানান, আমি এখন অফিসের বাইরে আছি, অফিসে গিয়ে ফাইল দেখে বিস্তারিত জেনে অনিয়ম হলে অবশ্যই ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।
স্থানীয় এলাকাবাসীর দাবি, প্রকল্পে যে টাকা বরাদ্দ হয়েছে তা যেন যথাযথ ভাবে রাস্তার উন্নয়নে ব্যায় করা হয়। ৮০- ৯০ হাজার টাকা খরচ করে যেমন তেমন ভাবে কাজ শেষ করলে সামনে বর্ষায় সব জ্বলে যাবে। এতে স্থানীয়দের যেমন কোন উপকার হবে না তেমনি সরকার ও জনগণের শুধু অর্থই নষ্ট হবে।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |