পরশুরাম প্রতিনিধি
পরশুরামে গ্রাম আদালত সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং -’ানীয় পর্যায়ে গ্রাম আদালতের কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করার লক্ষ্যে -’ানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের অংশগ্রহণে এক সমন্বিত পরিবীক্ষণ ও পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন, পরশুরাম-এর আয়োজনে এবং বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের সহযোগিতায় আয়োজিত এ কর্মশালায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, ছাগলনাইয়া থানার অফিসার ইনচার্জ সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, -’ানীয় রাজনৈতিক নেতৃত্ব বৃন্দ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, সমাজ উন্নয়নকর্মী, সকল ইউনিয়নের প্রশাসক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশগ্রহণ করেন।
উক্ত প্রকল্পের জেলা ব্যব-’াপক মুহাবুল হকের সঞ্চালনায় কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপ-ি’ত ছিলেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) এস. এম. শাফায়াত আখতার নূর।
তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, গ্রাম আদালত -’ানীয় পর্যায়ে সাধারণ মানুষের জন্য একটি সহজ, দ্রুত ও -^ল্প ব্যয়ে বিচারপ্রাপ্তির কার্যকর মাধ্যম। গ্রাম আদালতের মাধ্যমে ছোটখাটো দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধ নিষ্পত্তি হওয়ায় আদালতের ওপর চাপ কমছে এবং সাধারণ মানুষ দ্রুত ন্যায়বিচার পাচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনগণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ইউনিয়ন পরিষদ পর্যায়ে এর কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে সংশ্লিষ্ট সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
এছাড়াও গ্রাম আদালতের বর্তমান কার্যক্রম, চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাবনা নিয়ে বি-্তারিত আলোচনা করেন। বিশেষ করে গ্রাম আদালতে মামলা গ্রহণ, নিষ্পত্তির হার বৃদ্ধি, রেজিস্টার ও নথিপত্র সংরক্ষণ, নিয়মিত তদারকি এবং জনগণকে গ্রাম আদালতের সেবা সম্পর্কে অবহিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। গ্রাম আদালতের সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা, উঠান বৈঠক, মাইকিং, লিফলেট বিতরণ এবং -’ানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করার বিষয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।
কর্মশালার শেষে গ্রাম আদালতের কার্যক্রমকে আরও বেগবান ও জনমুখী করতে সংশ্লিষ্ট সকলে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।পরশুরামে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে কর্মশালা
পরশুরাম প্রতিনিধি
পরশুরামে গ্রাম আদালত সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে গ্রাম আদালতের কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করার লক্ষ্যে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের অংশগ্রহণে এক সমন্বিত পরিবীক্ষণ ও পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন, পরশুরাম-এর আয়োজনে এবং বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের সহযোগিতায় আয়োজিত এ কর্মশালায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, ছাগলনাইয়া থানার অফিসার ইনচার্জ সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃত্ব বৃন্দ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, সমাজ উন্নয়নকর্মী, সকল ইউনিয়নের প্রশাসক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশগ্রহণ করেন।
উক্ত প্রকল্পের জেলা ব্যবস্থাপক মুহাবুল হকের সঞ্চালনায় কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) এস. এম. শাফায়াত আখতার নূর।
তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, গ্রাম আদালত স্থানীয় পর্যায়ে সাধারণ মানুষের জন্য একটি সহজ, দ্রুত ও স্বল্প ব্যয়ে বিচারপ্রাপ্তির কার্যকর মাধ্যম। গ্রাম আদালতের মাধ্যমে ছোটখাটো দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধ নিষ্পত্তি হওয়ায় আদালতের ওপর চাপ কমছে এবং সাধারণ মানুষ দ্রুত ন্যায়বিচার পাচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনগণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ইউনিয়ন পরিষদ পর্যায়ে এর কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে সংশ্লিষ্ট সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
এছাড়াও গ্রাম আদালতের বর্তমান কার্যক্রম, চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বিশেষ করে গ্রাম আদালতে মামলা গ্রহণ, নিষ্পত্তির হার বৃদ্ধি, রেজিস্টার ও নথিপত্র সংরক্ষণ, নিয়মিত তদারকি এবং জনগণকে গ্রাম আদালতের সেবা সম্পর্কে অবহিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। গ্রাম আদালতের সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা, উঠান বৈঠক, মাইকিং, লিফলেট বিতরণ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করার বিষয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।
কর্মশালার শেষে গ্রাম আদালতের কার্যক্রমকে আরও বেগবান ও জনমুখী করতে সংশ্লিষ্ট সকলে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |