| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

পরশুরামে ভারত ফেরত রোগীকে মানসিক নির্যাতন ও অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

রিপোর্টারের নামঃ Reporter
  • আপডেট টাইম : 16-05-2026 ইং
  • 2383 বার পঠিত
পরশুরামে ভারত ফেরত রোগীকে মানসিক নির্যাতন ও অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ
ছবির ক্যাপশন: পরশুরামে ভারত ফেরত রোগীকে মানসিক নির্যাতন ও অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ


পরশুরাম প্রতিনিধি

চিকিৎসা শেষে ভারত থেকে দেশে ফেরার পথে ফেনীর পরশুরাম উপজেলার বিলোনিয়া স্থলবন্দরে এক কিডনি রোগীকে ৩-৪ ঘণ্টা আটকে রেখে মানসিক হয়রানি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। 

ভুক্তভোগী শাহিদুল ইসলাম দীর্ঘ এক বছর ধরে কিডনি রোগে আক্রান্ত। এ ঘটনায় জড়িতদের বিচার ও সুষ্ঠু তদন্ত চেয়ে তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শাহিদুল ইসলাম দীর্ঘ এক বছর ধরে কিডনি রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসার জন্য তিনি নিয়মিত ভারতে গিয়ে চিকিৎসা ও চেকআপ করান। গত শুক্রবার ভারত থেকে বিলোনিয়া স্থলবন্দর হয়ে দেশে ফেরার সময় তিনি হয়রানির শিকার হন বলে অভিযোগ করেন।

লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, ভারতীয় ইমিগ্রেশন ও চেকপোস্টের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পর উজ্জ্বল, সুমন, আলমগীর ও সুমন নামে পরিচয়দানকারী কয়েকজন ব্যক্তি তার ব্যবহৃত জিনিসপত্র ও সঙ্গে থাকা কিছু ওষুধকে অবৈধ বলে দাবি করেন। তিনি তাদের জানান, ওষুধগুলো তার নিজের চিকিৎসা এবং বাংলাদেশে থাকা এক ওপেন হার্ট সার্জারির রোগী আত্মীয়ের জন্য আনা হয়েছিল।

তবে অভিযোগ অনুযায়ী, এরপরও তাকে প্রায় ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা বসিয়ে রেখে মানসিক চাপ সৃষ্টি করা হয় এবং বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। একপর্যায়ে তার কাছে ১৫ হাজার টাকা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

শাহিদুল ইসলামের বলেন, অভিযুক্তরা আমাকে মানব পাচার ও লাগেজ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলেও ভয় দেখান এবং মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে বাধা দেন। পরে সুমন নামে পরিচয়দানকারী একজন আমাকে একটি পিছনের কক্ষে নিয়ে পকেটে থাকা টাকা দিতে চাপ প্রয়োগ করেন।

পরিস্থিতির চাপে পড়ে আমি ভারতীয় রুপি ও বাংলাদেশি টাকা মিলিয়ে আনুমানিক ৩ হাজার ৩০০ টাকা দিতে বাধ্য হই। টাকা নেওয়ার পর বিষয়টি কাউকে জানালে বড় ধরনের সমস্যায় ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়। এছাড়া বাড়িতে ফিরে আমি গুরুত্বপূর্ণ ডাক্তারি রিপোর্ট খুঁজে পাননি।

সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা  সুব্রত সাহা বলেন, তখন আমি উপস্থিত ছিলাম না পরে শুনেছি। কেউ যদি দোষী প্রমাণিত হয় তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শাহিদুল ইসলাম সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তার প্রতি হওয়া মানসিক হয়রানির বিচার দাবি করেছেন।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ ডেইলি ষ্টার লাইন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ICT- Starline Group