স্টার লাইন ডেস্ক :
দাগনভূঞা সরকারি ইকবাল মেমোরিয়াল কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাসুমসহ ৩ জনকে কররাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
দাগনভূঞা থানায় দায়েরকৃত একটি মামলায় আদালত থেকে জামিন নিতে গেলে আদালত তাদের জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। অন্য দু'জন হলেন ইমাম হোসেন মিল্টন ও মামুন।
মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, ২২ এপ্রিল দিবাগত রাত ১টার দিকে দাগনভূঞা পৌরসভার জগৎপুর গ্রামে কাশেম কমিশনারের বাড়ীর সামনে মামলার বাদী ও তার সাথে কয়েকজন সংঘবদ্ধভাবে পুকুর ঘাটে বসে ছিল ওইসময় তাদের উপর মাসুমসহ অন্যান্য আসামীরা হামলা করে এতে তারা কয়েকজন গুরুতর আহত হয়। এ ঘটনায় জগৎপুর গ্রামের আবদুল গফুরের ছেলে রিয়াজ উদ্দিন (৩০) বাদী হয়ে ১৩ জনকে আসামী করে দাগনভূঞা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় জামিনের জন্য গতকাল ফেনীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিন আবেদন করলে আদালত ১,২ ও ৪ নং আসামীর জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করেন।
মাসুমের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওইদিন দিবাগত রাতে জগৎপুর গ্রামের সুলতান মিঞার পরিবার তাদের জমি থেকে মাটি কেটে পুকুর ভরাট করতেছিল। রাত ১ টার দিকে বহিস্কৃত ছাত্রদল নেতা ফটিকের নেতৃত্বে দাগনভূঞা থেকে আসা একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী মাটি কাটতে হলে টাকা দিতে হবে বলে তাদের উপর হামলার চেষ্টা করে তখন তাদের চিৎকারে এলাকাবাসী বাহির হয়ে ফটিকসহ বহিরাগত সন্ত্রাসীদের ধাওয়া করে। এলাকাবাসীর সাথে সংঘর্ষে উভয়পক্ষের কয়েকজন আহত হয়। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ফটিকের নেতৃত্বে আসা সন্ত্রাসীরা রাত ৩ টার দিকে তাদের পুরো বহর নিয়ে দাগনভূঞা থেকে এসে কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাসুমের রসতঘরে অগ্নিসংযোগ করে। এ অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দাগনভূঞা থানায় মামলা করেন মাসুম। অগ্নিসংযোগের ঘটনা ধামাচাপা দিতে মাসুমদের নামে মিথ্যা মামলা করেছেন বলে অভিযোগ করেন মাসুমের পরিবার।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |