চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি:
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পূর্ব বিরোধের জের ধরে জোনাকি হোটেল-২ নামের ট্রাক হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্টে ভাংচুর ও লুটপাট করেছে সংঘবদ্ধ চক্র।
রোববার সকালে উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঘোলপাশা ইউনিয়নের উত্তর বাবুচি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী আবদুল মতিন বাদি হয়ে থানায় উত্তর বাবুচি গ্রামের আছলাম মিয়ার ছেলে সাদ্দাম হোসেন, দেলোয়ার হোসেন দুলাল, বিল্লাল হোসেন, মোঃ বাবুল মিয়া, নাতি মোঃ মাসুম ও মোঃ টুটুলকে আসামী করে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে কালিকাপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের আবদুল মতিনের সাথে উত্তর বাবুচি গ্রামের সাদ্দাম হোসেন গংয়ের জোনাকি হোটেল-২ এর ব্যবসা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। প্রায় সময় সাদ্দাম হোসেন গং রেস্টুরেন্টে গিয়ে আবদুল মতিন ও রেস্টুরেন্টের কর্মচারীদেরকে মারধরসহ বিভিন্ন প্রকার অত্যাচার ও নির্যাতন করতো। এসব বিষয় নিয়ে জিজ্ঞাসা করলে উল্টো ক্ষীপ্ত হয়ে গালমন্দসহ প্রাণ নাশের হুমকি প্রদর্শন করে।
এরই ধরাবাহিকতায় রোববার সকাল ৯টায় সাদ্দাম হোসেন গং পূর্ব পরিকল্পিত ও আকস্মিকভাবে রেষ্টুরেন্টের ভিতরে অনাধিকার প্রবেশ করে কর্মচারীদেরকে মারধর করে। এ সময় হামলাকারীরা রেষ্টুরেন্টের সকল প্রকার আসবাবপত্র ভাংচুর ও তছনছ করে। এতে রেষ্টুরেন্টের প্রায় ১০ লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধন করে এবং ক্যাশ বক্সে থাকা প্রায় ৭৫ হাজার টাকা লুটে নেয়। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ বা মামলা দায়ের করলে পিটিয়ে এলাকা ছাড়া করার হুমকি দেয় হামলাকারীরা।
এ বিষয়ে অভিযোগে বিবাদী দেলোয়ার হোসেন দুলাল বলেন, ‘একটি দেওয়ানী মামলায় ১৪৮/২৪ হাজিরা দিতে কুমিল্লার আদালতে ছিলাম। ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানি না। মূল বিষয় হলো, গত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে আমাদের জায়গা দখল করে আবদুল মতিন গং হোটেল ভাড়া দেয়। তারা নিজেরা ভাংচুর করে আমাদেরকে দোষারফ করছে।
চৌদ্দগ্রাম থানার উপ-পরিদর্শক মোতাবিবর হোসেন বলেন, ৯৯৯-এ কল পেয়ে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আবদুল মতিন বাদি হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |