স্টার লাইন ডেস্ক:
ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার সিন্দুরপুর ইউনিয়নের অবহেলিত তিন জেলার সীমান্তবর্তি মোহরবাগ গ্রামের উন্নয়নে পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বিএনপি নেতা ও সমাজসেবক আমির হোসেন মাহফুজ।
গ্রামের দুইটি কাচা সড়ক, কবরস্থান, ঈদগা ও মসজিদের উন্নয়ন হয়নি দীর্ঘদিন ধরে। রাজনৈতিক কারনে অবহেলিত মোহরবাগের ৭ হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগের পড়েন বর্ষা মৌসমে। বর্ষার আগেই এসব উন্নয়নের দাবি তাদের।
ইউনিয়নের উত্তর কৌশল্যার মোহরবাগ-তপবন সড়কের দেড় কিলোমিটার পাকা সড়ক হলেও এখনো কাঁচা সড়কের আরো দুই কিলোমিটার। যেখানে সড়কের এক কিলোমিটার কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের মধ্যে পড়েছে। সড়কটি দুই ইউনিয়নের মোহরবাগ ও তপবন এলাকার সংযোগ সড়ক হওয়ায় দুই এলাকার লোকে কৃষি জমিতে চাষবাসের কাজে আসা-যাওয়া, আত্মীয়ের বাড়ীতে বেড়াতে যাওয়া সহ বিভিন্নভাবে যাতায়াত করে থাকেন। এ সড়কে রয়েছে বাড়ী ও মোহরবাগ কাবাব ঘর নামে একটি কাবাব ঘরও। যেখানে দূর-দূরান্ত থেকে অনেকে এখানে এসে থাকেন। কাঁচা সড়ক হওয়ায় এতে বর্ষাকালে চরম ভোগান্তিতে পোহাতে হয় কৃষক ও স্থানীয়দের।
এছাড়া একই এলাকার কৌশল্যা হালিম কোম্পানি বাড়ী হতে পূর্ব দিকে মিরু মাষ্টার বাড়ী রাস্তার এক কিলোমিটার সড়কে সলিং থাকলে ২৪ এর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় সেটিও এখন চলাচলে এখন অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সড়কটির আশপাশে অন্তত আড়াই হাজার লোকের বসবাস। বর্ষাকালে স্কুল ও মাদরাসার শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের ভোগান্তি পোহাতে হয়। এলাকার বাসিন্দারা এই সড়কের টেকসই সমাধান চান।
মোহরবাগ জামে মসজিদের সভাপতি ও সমাজসেবক আমির হোসেন মাহফুজ বলেন, “এ এলাকা দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। ফ্যাসিবাদের সময়ে তেমন কাজ হয়নি। মাটির সড়কটা বহু পুরাতন। এ সড়কের আশপাশে কয়েকশ একর কৃষি জমি রয়েছে। এটা দুই জেলার তিনটি উপজেলার সংযোগ সড়ক। প্রায় ৭/৮ হাজার মানুষ যাতায়াত করে। মাটির সড়কটি যেন ফাঁকা হয় এবং সলিং সড়কটিও যেন পাকা করা হয়। মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু মহোদয়ের নিকট এ দাবি জানাই।”
সমাজপতি হাজী রুহুল আমিন বলেন, “সড়কটি ৬০-৭০ বছরের পুরাতন। এখনো মাটির সড়কে রয়ে গেছে এটা। ওইদিকে ফাঁকা হইছে। কিন্তু এদিকে হয়নি। আমরা চাই যে অন্তত ফেনীর অংশটা হলেও যেন ফাঁকা সড়ক হয়।”
সমাজসেবক আওরঙ্গজেব কাজল বলেন, “মোরহবাগ পাড়ার মানুষের যাতায়াতের জন্য এ সড়ক দুইটি গুরুত্বপূর্ণ। সড়ক দুইটির কাজ হলে এদিকের মানুষ উপকৃত হবে। কৃষকদের কষ্টটা বেশি হয়। এছাড়া দূর-দূরান্তের যারা এখান দিয়ে যাতায়াত করে তাদেরও কষ্ট হয়।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |