নুর উল্লাহ কায়সার:
দেশের স্বাধীনতার পর এবারই প্রথম পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী পেয়েছে ফেনীবাসী। গতকাল মঙ্গলবার বিকালে পরিবেশ বন ও জলবায়ু মন্ত্রীর শপথ গ্রহন করেন ফেনীর ছেলে আবদুল আউয়াল মিন্টু। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ফেনীতে আনন্দের জোয়ার বইছে। এরআগে বিপুল ভোটে ফেনী-৩ আসনে ধানের শীষে বিজয় লাভ করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন দাগনভূঞা উপজেলার আলাইয়াপুর গ্রামের কৃতি সন্ত্রান দেশের খ্যাতিমান শিল্পপতি আবদুল আউয়াল মিন্টু।
জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহনের পর আবদুল আউয়াল মিন্টুসহ ২৫ জনকে মন্ত্রী সভায় দায়িত্ব গ্রহনের জন্য শপথ গ্রহনের আমন্ত্রণ জানানো হয়। পরে বিকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
ফেনী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল বলেন, ‘আবদুল আউয়াল মিন্টু একজন পরীক্ষিত বিএনপির নেতা। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি যে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন, আমরা দলীয় নেতা-কর্মীরা মনে করছি, একজন যোগ্য লোককে যোগ্য স্থানে দেওয়া হয়েছে। তিনি সফলতার সঙ্গে তাঁর দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ আসনে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৪২৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন আবদুল আউয়াল মিন্টু । তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন ওরফে মানিক পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ১৬০ ভোট।
শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি আবদুল আউয়াল মিন্টু ১৯৪৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ফেনী জেলার দাগনভূঞা উপজেলার আলাইয়াপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। মিন্টু ফেনী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় থেকে ১৯৬৪ সালে মাধ্যমিক ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে ১৯৬৬ সালে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। মেরিন একাডেমি চট্টগ্রাম থেকে ১৯৬৮ সালে বিএসসি ইন মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি অর্জন করেন। এ ছাড়া নিউইয়র্ক স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে ১৯৭৩ সালে মেরিন ট্রান্সপোর্টেশনে উচ্চতর ডিগ্রি ও ১৯৭৭ সালে এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন।
বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষন করে জানা যায়, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের পর ফেনীর ৩টি সংসদীয় আসন থেকে এবারই প্রথম পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী পেল ফেনীর মানুষ। এরআগে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া ফেনী-১ আসনে নির্বাচিত হয়ে ৩ বার প্রধানমন্ত্রী ও ১ বার বিরোধীদলীয় নেত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও জাফর ইমাম বীরবিক্রম ১৯৮৯ থেকে ১৯৯০ সালে পরিবেশ বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। ১৯৯০ থেকে ১৯৯১ সালে তৎকালীন তত্বাবধায়ক সরকারের সেচ, বন, পরিবেশ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন কাজী ফজলুর রহমান। ২০০৮ থেকে ২০০৯ সালে তত্বাবধায়ক সরকারের কৃষি, মৎস্য, প্রানি সম্পদ ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন চৌধুরী সাজ্জাদুল করিম (সিএস করিম)।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |