| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

মধুপুর হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন প্রধান শিক্ষকের দাবি, সুনাম ক্ষুন্নে অপপ্রচার

রিপোর্টারের নামঃ Reporter
  • আপডেট টাইম : 27-04-2026 ইং
  • 310 বার পঠিত
মধুপুর হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন  প্রধান শিক্ষকের দাবি, সুনাম ক্ষুন্নে অপপ্রচার
ছবির ক্যাপশন: মধুপুর হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন প্রধান শিক্ষকের দাবি, সুনাম ক্ষুন্নে অপপ্রচার


স্টাফ রিপোর্টার:

ফেনী পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডস্থ মধুপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ.টি.এম সামছুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক জানিয়েছেন, মুনির হোসেন বাচ্চু তার সুনাম ক্ষুন্ন করতে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছেন।

সোমবার সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ মানববন্ধনে স্থানীয় বাসিন্দা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও অভিভাবকরা অংশ নেন। বক্তারা অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষক নিয়মনীতি উপেক্ষা করে নিজের ইচ্ছামতো শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি করেছেন, যা অভিভাবক সদস্যদের অজান্তেই করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করায় বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক মো. ইলিয়াসকে শোকজ করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

মানববন্ধনে আরও অভিযোগ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে নন-এমপিওভুক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধুপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নামে রেজিস্ট্রেশন ও ফরম পূরণ করিয়ে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করানো হচ্ছে। এ খাতে আদায়কৃত বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদ্যালয়ের তহবিলে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন বক্তারা।

বক্তারা জানান, অতীতে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিপুল অর্থের বিনিময়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রধান শিক্ষক নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকেন না, মাসে গড়ে ১০ দিনও স্কুলে আসেন না এবং একদিনে কয়েক দিনের স্বাক্ষর করেন বলেও অভিযোগ ওঠে।

এছাড়া অভিভাবক, শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ, বিদ্যালয়ের অর্থ ব্যাংকে জমা না দিয়ে ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার, ক্যাশ বই ও ব্যাংক হিসাবের অমিল এবং বিদ্যালয়ের পুরাতন সম্পদ বিক্রির অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগও তুলে ধরা হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে বোর্ড নির্ধারিত ফি ছাড়াও অতিরিক্ত ৭,৮০০ টাকা করে আদায় করা হয়েছে, যার কোনো রশিদ দেওয়া হয়নি। এছাড়া প্রধান শিক্ষক নিজের পছন্দমতো এডহক কমিটি গঠন করছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা, যা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মুনির হোসেন বাচ্চু, ওয়ার্ড বিএনপির সেক্রেটারি সাহাবুদ্দিন এবং স্কুলের সাবেক শিক্ষার্থী ও ওয়ার্ড ছাত্রদল নেতা মুরাদ জিলানি।

অভিযোগগুলো অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক এ.টি.এম সামছুল হক চৌধুরী বলেন, তিনি বর্তমানে হজের ছুটিতে আছেন। মানববন্ধনে নেতৃত্ব দেওয়া মুনির হোসেন বাচ্চু পূর্বেও বেনামে তার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইসমাইল হোসেনের কাছে অভিযোগ করেছিলেন, তবে তদন্তের সময় তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, “মুনির হোসেন বাচ্চু আমাদের বিদ্যালয়ের কেউ নন, এমনকি তার কোনো সন্তানও এই স্কুলে পড়েনি। তিনি তার ছেলেকে জোরপূর্বক স্কুল কমিটির সভাপতি করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আমরা নাম পাঠালেও তার ছেলে সভাপতি হয়নি। এজন্যই তিনি ক্ষোভ থেকে এসব অভিযোগ করছেন।”

প্রধান শিক্ষক আরও দাবি করেন, “বিদ্যালয়ের কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি হয়নি। আমি দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছি। আমার সুনাম ক্ষুণ্ন করার জন্য একটি পক্ষ অপপ্রচার চালাচ্ছে। প্রয়োজন হলে আমি যথাযথ কর্তৃপক্ষ বা অভিভাবকদের কাছে হিসাব দিতে প্রস্তুত।”

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ ডেইলি ষ্টার লাইন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ICT- Starline Group