স্টার লাইন ডেস্ক:
ফেনী জেলার গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস-ঐতিহ্য-সংস্কৃতি চর্চার ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে ফেনী জেলা প্রশাসন কর্তৃক প্রকাশিত হয়েছে ‘দিঘির জনপদ ফেনী’ নামীয় একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যতিক্রমী গ্রন্থ।
গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফেনী কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার মুক্তমঞ্চে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণের পূর্ব মুহূর্তে গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচন করেন ফেনী জেলা প্রশাসক মনিরা হক। গ্রন্থটির কাজ শুরু হয় সাবেক জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলামের সময়। বর্তমান জেলা প্রশাসক মনিরা হকের তত্ত্বাবধানে গ্রন্থটি আলোর মুখ দেখলো। গ্রন্থটি সম্পাদনা করেছেন ফেনীর সাবেক অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মন্জুর আহ্সান।
উন্মোচনকালে আরো উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক ও ফেনী পৌরসভার প্রশাসক মো: নবীনেওয়াজ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) ফাহমিদা হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রোমেন শর্মা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ফাতিমা সুলতানা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এ.কে.এম. ফয়সাল, ফেনী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা নাসরিন কান্তা প্রমুখ। মোড়ক উন্মোচনের পর ‘দিঘির জনপদ ফেনী’র সম্পাদনা বিষয়ে কথা বলেন গ্রন্থটির সহযোগী সম্পাদক-কবি ও গবেষক শাবিহ মাহমুদ এবং তথ্য সংগ্রাহক-সাংবাদিক মুহাম্মদ আবু তাহের ভূঁইয়া।
১৬২ পৃষ্ঠার ‘দিঘির জনপদ ফেনী’ গ্রন্থে জেলার ছয় উপজেলায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা উল্লেখযোগ্য ষাটটি দিঘির সচিত্র পরিচিতি তুলে ধরা হয়েছে। এতে ফেনী সদর উপজেলার ১৫টি, ছাগলনাইয়া উপজেলার ৭টি, ফুলগাজী উপজেলার ১৩টি, পরশুরাম উপজেলার ৯টি, সোনাগাজী উপজেলার ৮টি এবং দাগনভূঞা উপজেলার ১৮টি দিঘির স্মৃতি-শ্রুতি ও ইতিহাস আলোচ্য হয়ে উঠেছে। সবশেষে সংযুক্তিতে তুলে ধরা হয়েছে অগ্রন্থিত দিঘির তালিকা। গ্রন্থের ছবি তুলেছেন এম. এইচ. ইমরান। প্রচ্ছদ ও শিল্পবিন্যাস লিটন মজুমদার। আর্টপেপারে রঙিন ছাপা দৃষ্টিনন্দন ‘দিঘির জনপদ ফেনী’ গ্রন্থটির শুভেচ্ছা মূল্য এক হাজার টাকা। উল্লেখ্য, এর আগে ফেনী জেলা প্রশাসন থেকে প্রকাশিত হয়েছে একাত্তরের ফেনী, জেলা ব্র্যান্ডবুক, নবীনচন্দ্র সেন, চিন্তা ও দর্শন, ফেনী গাইড, ফেনী কলেজ বধ্যভূমি ও স্মৃতিকথায় একাত্তুর নামীয় প্রকাশনা।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |