| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

জনবলের অভাবে দাপ্তরিক কাজেও স্থবিরতা সোনাগাজীতে শিক্ষক সংকটে ব্যাহত প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম

রিপোর্টারের নামঃ Reporter
  • আপডেট টাইম : 12-05-2026 ইং
  • 1642 বার পঠিত
জনবলের অভাবে দাপ্তরিক কাজেও স্থবিরতা  সোনাগাজীতে শিক্ষক সংকটে ব্যাহত প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম
ছবির ক্যাপশন: জনবলের অভাবে দাপ্তরিক কাজেও স্থবিরতা সোনাগাজীতে শিক্ষক সংকটে ব্যাহত প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম


১১০ বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রধান শিক্ষক আছেন মাত্র ৩৬টিতে, ৫জন এটিও’র মধ্যে আছেন ১ জন। উচ্চমান সহকারি, অফিস সহকারি ও অফিস সহায়ক পদে ১জন ও নেই। (ইনসেটে)

এস.এন আবছার : 

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক ও দাপ্তরিক জনবল সংকটের কারণে প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। উপজেলার ১১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অধিকাংশই চলছে ভারপ্রাপ্ত ও চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের মাধ্যমে। একই সঙ্গে শিক্ষা অফিসেও প্রয়োজনীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীর ঘাটতিতে প্রশাসনিক কার্যক্রমে দেখা দিয়েছে স্থবিরতা।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে মাত্র ৩৬টিতে স্থায়ী প্রধান শিক্ষক রয়েছেন। বাকি বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ২৪টিতে চলতি দায়িত্ব এবং ৫০টিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

সহকারী শিক্ষকের মোট অনুমোদিত পদ রয়েছে ৬৭২টি। এর মধ্যে বর্তমানে কর্মরত আছেন ৬১২ জন। এসব শিক্ষকদের মধ্য থেকেই অনেককে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। ফলে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যক্রমেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

অন্যদিকে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসেও রয়েছে তীব্র জনবল সংকট। উপজেলায় ৫টি ক্লাস্টারের জন্য ৫জন সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ১ জন। এছাড়া অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে ৩ জন থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে একজনও নেই। উচ্চমান সহকারীর পদটি প্রায় সাত বছর ধরে শূন্য রয়েছে। নেই অফিস সহায়কও।

সরেজমিন বিভিন্ন বিদ্যালয় ঘুরে দেখা গেছে, শিক্ষক সংকটের কারণে অনেক বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে শিক্ষা অফিসে প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় দাপ্তরিক কাজেও ধীরগতি দেখা দিয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সভা-সেমিনারে অংশ নিতে হয়। পাশাপাশি দাপ্তরিক নানা কাজে ব্যস্ত থাকায় তিনি বিদ্যালয় পরিদর্শনে পর্যাপ্ত সময় দিতে পারেন না। মাত্র একজন সহকারী শিক্ষা অফিসার দিয়ে ৫টি ক্লাস্টারের ১১০টি বিদ্যালয়ের তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সোনাগাজী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাস্টার হোসাইন আহম্মদ বলেন, “পদোন্নতি সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা চলমান থাকায় মূলত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থবির হয়ে আছে। আশা করি দ্রুত এ সমস্যার সমাধান হবে।”

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এস. এম. তাহেরুল ইসলাম বলেন, “শিক্ষক ও জনবল সংকটের কারণে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগের জন্য একাধিকবার চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। কিন্তু নানা কারণে পদায়ন হচ্ছে না।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিগ্যান চাকমা বলেন, “প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকসহ প্রয়োজনীয় জনবল সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। শিক্ষা বান্ধব সরকার এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে আশা করছি।”

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ ডেইলি ষ্টার লাইন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ICT- Starline Group