দাগনভূঞা প্রতিনিধি
ফেনীতে নিখোঁজের ২ দিন পর ডোবায় মিলেছে শিশুর লাশ। শিশুটির নাম মো. হাসান। বয়স ১ বছর ৬ মাস। সে লক্ষীপুর জেলার কমলনগর উপজেলা এলাকার বাসিন্দা মো. তারেক ও তারজিনা আক্তার নিপু দম্পতির ছেলে।
গতকাল সোমবার সকালে ফেনীর দাগনভূঞা পৌরসভার আমানউল্ল্যাহপুর এলাকা থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
ওই দম্পতি কাজের সুবাদে পরিবার নিয়ে ফেনীর দাগনভূঞায় পৌরসভার আমানউল্যাহপুর এলাকায় ভাড়ায় বসবাস করেন।
শিশুটির বাবা মো. তারেক জানান, গত শনিবার বিকেলে শিশু হাসান তার দাদীর সাথে বাসার সামনে খেলাধূলা করছিল। শিশুর মা তখন ঘরের ভেতর পারিবারিক কাজকর্ম নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। এক পয্যায়ে শিশুর দাদী বিশেষ কাজে ঘরে যায়। কিছুক্ষন পর ঘর থেকে বের হয়ে দেখেন শিশুটি সেখানে নেই। এরপর শিশু সন্তান মো. হাসানকে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়।
এদিকে নিখোঁজের পর রাতে ০১৯২৭-০৩৫৬০৩ নম্বর থেকে এক ব্যক্তি কল করে প্রথমে ১২ হাজার টাকা এবং পরে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। অন্যথায় আমাদের শিশু সন্তান হাসানকে হত্যার হুমকিও দেয়। নিখোঁজের পরদিন রোববার দাগনভূঞা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানায়, গতকাল সোমবার সকালে দাগনভূঞায় পৌরসভার আমানউল্লাহপুর গ্রামে তাদের বাসায় সামনের ডোবায় শিশুর লাশ ভাসতে দেখেন। শিশুর বাবা মো. হাসান নিখোঁজ ছেলের মরদেহ শনাক্ত করেন।
খবর পেয়ে দাগনভূঞায় থানার পুলিশ ওই স্থানে পৌঁছে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরন করেন।
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম জানান, গতকাল সোমবার সকালে খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। মুক্তিপণ দাবির বিষয়টি কোনো প্রতারকচক্রের কাজ হতে পারে। তদন্ত করে হুমকি দেওয়া মোবাইল নাম্বারটি নওগাঁর বলে জানা গেছে।
তিনি জানান, শিশুটির গায়ে কোন ধরনের আঘাতে চিহ্ন দেখা যায়নি। মূলত ডোবার পানিতে পড়ে শিশুটি মারা গেছে চিকিৎসকের পরামর্শের পর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |