স্টাফ রিপোর্টার:
ফেনীর মধ্য চাড়িপুর এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত’ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ফেনী জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান মাহমুদ সবুজ।
সোমবার বিকেলে মধ্য চাড়িপুর জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
লিখিত বক্তব্যে হাসান মাহমুদ সবুজ বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ফেনী পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন। তাঁর জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে স্থানীয় আবু আহাম্মদ ভূঞা ও তাঁর পরিবার তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আরও বলেন, আবু আহাম্মদ ভূঞা ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে এলাকায় জমি সংক্রান্ত নানা বিরোধ রয়েছে। তাঁদের কর্মকাণ্ডের কারণে সাধারণ মানুষ জমি কেনাবেচায় ভীতি অনুভব করছেন। বিভিন্ন স্থানে জমির মালিকানা দাবি করে একাধিক মামলা দায়েরের ফলে প্রকৃত মালিক ও ক্রেতারা হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে সবুজ জানান, গত ২৪ এপ্রিল স্থানীয়দের উদ্যোগে মধ্যম চাড়িপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ক্ষতিগ্রস্তরা তাদের ভোগান্তির কথা তুলে ধরেন। তিনি সেখানে একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
তিনি দাবি করেন, ওই ঘটনার পর থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে। গত রোববার ফেনী শহরের একটি রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তাঁর বিরুদ্ধে দেওয়া বক্তব্যের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও জানান তিনি।
সবুজ বলেন, “আমি শুধু ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসীর পক্ষে কথা বলেছি। এর জের ধরে আমাকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চলছে।”
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের জন্য প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় উপস্থিত এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, আবু আহাম্মদ ভূঞা জমি বিক্রির সময় ক্রেতাদের কাছে গিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেন এবং বিভিন্নভাবে হয়রানি করেন। তারা দাবি করেন, ইতোমধ্যে তিনি প্রায় ৩০০ জনের নামে মামলা করেছেন এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের জন্য তাঁর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান এলাকাবাসী।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |