নিজস্ব প্রতিনিধি:
ফেনীর সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের মাথিয়ারা এলাকায় আদালতের স্থিতাবস্থা নির্দেশ অমান্য করে জোরপূর্বক রাস্তা নির্মাণের অভিযোগের এক বছরেও কার্যকর প্রতিকার না মেলায় প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাদীপক্ষ।
আদালতের নির্দেশনায় তদন্তে ঘটনার সত্যতা মিললেও নির্মিত রাস্তা অপসারণ বা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোন ব্যবস্থা গ্রহণ হয়নি বলে দাবী বাদীপক্ষের।
মামলা সূত্রে জানা যায়, পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের মাথিয়ারার আয়ধন ভূঁইয়া বাড়ীর মজিবুল হক ও তাহার ছেলেদের মালিকীয় ভূমির মধ্য দিয়ে মো. এয়াছিন টিপু, সাদ্দাম হোসেন, শাহ জালাল, গিয়াস উদ্দিন ও মোহাম্মদ আলী জোর করে রাস্তা নির্মাণ করার চেষ্টা করে। বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলা দায়ের করা হলে আদালত থেকে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে সেই নির্দেশ অমান্য করেই রাতের আঁধারে জোর পূর্বক গাছ কেটে ও মাটি ফেলে রাস্তা বাধাই করে বিবাদী পক্ষ। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে পুনরায় স্থানীয় তদন্ত অনুষ্ঠিত হলে তদন্ত প্রতিবেদনে জোরপূর্বক রাস্তা নির্মাণের সত্যতা উঠে আসে। ঘটনা সত্য প্রমাণিত হওয়ায় বিবাদীদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননা (ভায়োলেশন) মামলা দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে বিচারাধীন।
তবে এদিকে আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন ও অবৈধ নির্মাণ অপসারণে প্রশাসনিক কোন দৃশ্যমান উদ্যোগ না থাকায় হতাশ ভুক্তভোগী।
জানা যায়, বাদীপক্ষ জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর লিখিত আবেদন দেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সরেজমিন তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পেলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি দাবি তাদের।
এদিকে স্থানীয় যুবদল নেতা গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ, প্রাণনাশের হুমকি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাদী আলা উদ্দিন ও তার পরিবারকে জড়িয়ে মানহানিকর প্রচারণা চালানোর অভিযোগ করেছেন মামলার বাদী আলাউদ্দিন। তার দাবি, তার পুরো পরিবারকে বসতভিটা তথা মাথিয়ারা গ্রাম থেকে বিতাডিত করার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে তাকে।
ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ নেতাদের কাছে একাধিকবার জানানো হলেও কোনো দৃশ্যমান সমাধান মেলেনি বলে জানান ভুক্তভোগী আলাউদ্দিন।
বাদীপক্ষ দ্রুত আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন, অবৈধ রাস্তা অপসারণ এবং ভুক্তোভোগির পুরো পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |