| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

ভোটের ফলাফল বিশ্লেষন; ফেনী-৩ ধানের শীষের দূর্গে হানা দিয়েছে দাঁড়িপাল্লা!

রিপোর্টারের নামঃ Starline Admin
  • আপডেট টাইম : 23-02-2026 ইং
  • 288 বার পঠিত
ভোটের ফলাফল বিশ্লেষন; ফেনী-৩  ধানের শীষের দূর্গে হানা দিয়েছে দাঁড়িপাল্লা!
ছবির ক্যাপশন: ভোটের ফলাফল বিশ্লেষন; ফেনী-৩ ধানের শীষের দূর্গে হানা দিয়েছে দাঁড়িপাল্লা!


জুবায়ের আল মুজাহিদ:

ফেনী-৩ আসনে বিপুল ভোটে জয় পেয়েছে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু। ফেনীর দাগনভূঞা সোনাগাজী আসন থেকে তিনি নির্বাচিত হয়ে সরকারে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। ভোটের মাঠে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. ফখরুদ্দিন মানিক।

আসনটিতে সব সময়ে ধানের শীষের একছেটিয়া দাপটে অন্য প্রতিদ্বন্দ্বিরা বেকায়দায় থাকলেও এবারই শক্ত অবস্থানে ছিলো জামায়াত। আসনটিতে ১৯৯১ সালে মাহবুবুল আলমের ধানের শীষের সাথে  প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মো. মোস্তফা দাড়িপাল্লায় পেয়েছিলো ১৩ দশমিক ৫৭ ভাগ ভোট। ১৯৯৬ সালে মোশাররফ হোসেনের ধানের শীষের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তা নেমে আসে ৭ দশমিক ৪০ ভাগে। কিন্তুু ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ আসনে জামায়াতের ভোটে আস্ফালন দেখে হতবাক হচ্ছেন অনেকেই। দেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী এবং ভিআইপি ধানের শীষের প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টুর ধানের শীষের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এ আসনে এবার সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছে জামায়াত প্রার্থী ডাক্তার ফখরুদ্দিন মানিক। বিগত নির্বাচনগুলোতে দলটি ১৩ ভাগের উপর ভোট না পেলেও এবারই প্রথম ৩৯ দশমিক ২৪ শতাংশে পৌঁছে জামায়াতের ভোটের হার। এ আসনে এবার ২ লাখ ৭৫ হাজার ৬২২ ভোট পড়েছে। তন্মধ্যে  আবদুল আউয়াল মিন্টু ধানের শীষে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৪২৫ ভোট এবং ডাক্তার মানিক দাঁড়ি পাল্লায় পেয়েছে ১ লাখ ৮ হাজার ১৬০ ভোট। আসনটিতে ৫৭ ভাগ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আবদুল আউয়াল মিন্টু। আর তার প্রতিদ্বন্দ্বি দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ডাক্তার ফখরুদ্দিন মানিক পেয়েছেন ৩৯ দশমিক ২৪ ভাগ ভোট।         

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সামগ্রিকভাবে ধানের শীষ এগিয়ে থাকলেও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে এগিয়ে ছিলো। তন্মধ্যে ইয়াকুবপুর ইছহাকীয়া এতিমখানা কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা ৭১৩, ধানের শীষ ৫৪১। ইয়াকুবপুর বরইয়া আলী আকবর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা ৯৭৫, ধানের শীষ ৮৭৬। সিলোনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা ১০৯৯, ধানের শীষ ৮৮৭। সিলোনিয়া হাইস্কুল কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা ৯৪৫, ধানের শীষ ৯৩১। দুধমুখা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা ১০২৮, ধানের শীষ ১০০১। ওমরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা ৮৭৫, ধানের শীষ ৭৩৭। চরলক্ষীগঞ্জ দশানী কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা ৯৯৭, ধানের শীষ ৮৩৬। চরলক্ষ্মীগঞ্জ নাজেরিয়া ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা ৭৬০, ধানের শীষ ৬২৫। পশ্চিম চরদরবেশ রাশেদীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা ৭৭৫, ধানের শীষ ৭৬১। ওছমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা ৬৬৪, ধানের শীষ ৬০৩। উত্তর আলীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা ৮০৭, ধানের শীষ ৫৪৯। সাহেবের হাট জকী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা ৬৫৮, ধানের শীষ ৫৯০।

জনসাধারণ বলছে, বিএনপি থেকে আবদুল আউয়াল মিন্টু ছাড়া অন্য কোন প্রার্থী ত্রয়োদশ সংসদ নিবাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতায় আসলে জামায়াতের সাথে ভোটের ব্যবধান আরো কমে যেতো। তাই ভোটার বৃদ্ধিতে প্রান্তিক জনপদের মানুষকে বিএনপি গুরুত্বে না আনতে পারলে জামায়াত আরও শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বি হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।  


ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ ডেইলি ষ্টার লাইন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ICT- Starline Group