| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

ফেনীতে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকীতে প্রবন্ধ পাঠ, আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

রিপোর্টারের নামঃ Reporter
  • আপডেট টাইম : 10-05-2026 ইং
  • 6447 বার পঠিত
ফেনীতে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকীতে  প্রবন্ধ পাঠ, আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
ছবির ক্যাপশন: ফেনীতে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকীতে প্রবন্ধ পাঠ, আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান


শহর প্রতিনিধি  

বাঙালির চিত্ত ও সংস্কৃতিতে চিরস্থায়ী আসন পেতে থাকা কবিগুরুর ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী। এ উপলক্ষে জেলা প্রশাসন, গত শুক্রবার ফেনীর সহযোগিতায় এবং জেলা শিল্পকলা একাডেমি, ফেনীর আয়োজনে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় প্রবন্ধ পাঠ, আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। 

জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার সুদীপ্তা চক্রবর্তীর স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। এরপর অনুষ্ঠানের মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ফেনী জেলার সদস্য সচিব, ব্যাংকার ও সাংস্কৃতিক সংগঠক কবি শামীম পাটোয়ারী । তাঁর রচিত প্রবন্ধটির বিষয় ছিল “রবীন্দ্রনাথ: জীবন ও সাহিত্য”। প্রবন্ধে বিশ্বকবির জীবন, সাহিত্যদর্শন, মানবতাবোধ, শিক্ষা-চিন্তা ও সামগ্রিক সৃষ্টিশীলতার একটি গভীর ও মননশীল বিশ্লেষণ উঠে আসে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি  হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ফেনীর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মনিরা হক। 

বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক এম. এ. খালেক। মূল প্রবন্ধের উপর আলোচনা করেন ফেনী সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম । এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রোমেন শর্মা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ফাতিমা সুলতানাসহ প্রশাসনের উদ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ, জেলার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিল্পকলা একাডেমির প্রশিক্ষণ বিভাগের শিক্ষার্থী অভিভাবক সাংবাদিক সাহিত্যিক সহ সংস্কৃতিজনরা। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মনিরা হক বলেন, রবীন্দ্রনাথের গল্পে জীবনবোধের গভীরতায় মুগ্ধ হয়নি বা রবীন্দ্র সংগীতের সুর মুচ্ছনায় মোহচ্ছন্ন হয়নি, এমন মানুষ খুজে পাওয়া যাবে না। তিনি কিশোর তরুণদের রবীন্দ্রনাথ পড়ার আহবান জানান। চমৎকার তথ্যবহুল প্রবন্ধ উপস্থাপনার জন্য শামীম পাটোয়ারীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, “উনার প্রবন্ধে কবিগুরুর পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড, সাহিত্য প্রতিভা, সাহিত্য কর্ম, রাজনৈতিক দর্শন, জীবনবোধ ইত্যাদি সবকিছুর উপরই আলোকপাত করেছেন।”

প্রবন্ধের সূচনালগ্নেই শামীম পাটোয়ারী বিশ্বকবিকে বাংলা সাহিত্যের প্রধানতম সৃষ্টিসৌধ। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাসে এক অনন্য, মহিমান্বিত নাম। একটি যুগ, একটি চেতনা, একটি আলোকবর্তিকা বলে অভিহিত করেন।

প্রবন্ধটি উপস্থিত সাহিত্যবোদ্ধা ও সংস্কৃতিমনা দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়। প্রবন্ধটির একমাত্র আলোচক প্রবন্ধটিকে  “রবীন্দ্রচিন্তার একটি হৃদয়গ্রাহী ও প্রাঞ্জল উপস্থাপন” বলে অভিহিত করেন।

প্রবন্ধ পাঠ ও আলোচনা শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমি ফেনীর প্রশিক্ষণ বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনে কবিতা আবৃত্তি, গান, গীটারসহযোগে রবীন্দ্রসংগীত, নৃত্য নাট্য, দৈত নৃত্য ও দলীয় নৃত্যসহ এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ ডেইলি ষ্টার লাইন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ICT- Starline Group