সঠিক তদন্ত ও হয়রানী থেকে বাঁচতে স্ত্রীর আহাজারী (ইনসেটে)
শহর প্রতিনিধি:
ফেনীর ছাগলনাইয়ার মহামায়া ইউনিয়নে পারিবারিক বিরোধের জের ধরে অস্ত্র দিয়ে নিজ বাবাকে ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে দুই ছেলের বিরুদ্ধে।
গতকাল বুধবার বিকালে ফেনী শহরের একটি চাইনীজ রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন দাবী করে ঘটনার প্রতিকার চেয়েছেন ভুক্তভোগীর স্ত্রী পশ্চিম দেবপুর মজুমদার বাড়ির সাজেদা বেগম। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীর ছেলে মোহাম্মদ আরিফুল হক মজুমদার ও ৩ মেয়ে ফারজানা আক্তার, মোমেনা আক্তার ও শাহানাজ ফারভিন উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে সাজেদা বেগম বলেন, আমার স্বামী ওবায়দুল হক মজুমদার মনুরহাট আরিফ এন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারী। ৭০ বছরের বৃদ্ধ বয়সেও তিনি স্থানীয় বাজারে নির্মাণ সামগ্রীর ব্যবসা করে পরিবারের ব্যায় নির্বাহ করে আসছেন। আমার ৩ ছেলের মাঝে বড় দুই ছেলে এনামুল হক রুবেল ও একরামুল হক শিবলুর যন্ত্রনায় আমাদের পুরো পরিবার ও স্বজনরা অতিষ্ঠ অবস্থায় দিনাতিপাত করতে হচ্ছে। তাদের নামে বিভিন্ন থানায় অন্তত ৮/১০টি মামলা চলমান রয়েছে। ইতোপূর্বে কয়েকবার আমার দুই ছেলে একত্রিত হয়ে আমার স্বামী এবং আমাদেরকে মারধর করে ঘরের দরজা ভাংচুর করে মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায়। এসব ঘটনায় আমার স্বামী বাদি হয়ে থানায় মামলা করে।
সংবাদ সম্মেলনে হতভাগা মা সাজেদা আক্তার বলেন, ২৯ এপ্রিল আমার ছেলেরা তার বাবাকে ফাঁসানোর জন্য ঘরের পেছনে বাথরুমের উপর অস্ত্র রেখে র্যাবকে খবর দেয়। র্যাব তাদের দেয়া তথ্যের আলোকে আমাদের ঘরের পেছনে বাথরুমের উপর থেকে একটি বন্দুক ও ৪ টি কার্তুজ উদ্ধার করে আমার স্বামী ওবায়দুল হক মজুমদারকে আটক করে নিয়ে আসে। পরে আমার স্বামীর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করে।
পরদিন আমার ২ ছেলে শিবলু এবং রুবেল বাড়িতে গিয়ে আমাদেরকে মারধর করে বের করে দেয়। মনুর হাটে আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম আরিফ এন্টারপ্রাইজের সাইনবোর্ড পাল্টিয়ে নাম পরিবর্তন করে রুবেল ট্রেডাস লাগিয়ে সেটি দখলে নেয়। দোকানের কয়েকটি গাড়ি ছিলো; সেগুলোও তারা নিয়ে যায়। বর্তমানে আমি ও আমার অপরছেলে এবং মেয়েরা আমাদের বাড়িতে যেতে পারছিনা। তারা আমাদেরকে কোথায়ও পেলে খুন করার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। আমার দুই সন্তানের ভয়ে ও আতংকে আমরা আত্মীয় স্বজনদের বাড়িতে আত্বগোপনে দিনাতিপাত করছি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, বর্তমানে আমার বৃদ্ধ স্বামী অস্ত্র মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে আছেন। অব্যাহত হুমকিতে আমরাও বাড়ি ঘরে যেতে পারছিনা। আমাদের বাড়ি ঘর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সবকিছু দুই ছেলে দখলে নিয়েছে। আমরা এ বিষয়ে প্রশাসন, তদন্ত সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট সু-বিচার প্রার্থনা করছি।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |