| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ফেনীতে অংশ নিলো ৩ হাজার ৭শত ৮৮ শিক্ষার্থী সদরে অনুপস্থিতির হার সবচেয়ে বেশি

রিপোর্টারের নামঃ Reporter
  • আপডেট টাইম : 15-04-2026 ইং
  • 1639 বার পঠিত
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা  ফেনীতে অংশ নিলো ৩ হাজার ৭শত ৮৮ শিক্ষার্থী  সদরে অনুপস্থিতির হার সবচেয়ে বেশি
ছবির ক্যাপশন: প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ফেনীতে অংশ নিলো ৩ হাজার ৭শত ৮৮ শিক্ষার্থী সদরে অনুপস্থিতির হার সবচেয়ে বেশি


ফেনী সদর উপজেলায় অনুপস্থিতির হার সবচেয়ে বেশি হওয়ার বিষয়ে সদুত্তর দিতে পারেননি শিক্ষা কর্মকর্তা 

নিজস্ব প্রতিনিধি: 

সারা দেশের ন্যায় ফেনীতেও প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘদিন পর অনুষ্ঠিত এ পরীক্ষায় ফেনীতে ৩ হাজার ৭৮৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। জেলা শহরসহ সকল উপজেলায় অনুষ্ঠিত এ পরীক্ষায় ১ম দিনে শিশুরা বাংলা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। তবে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় জেলায় উপস্থিতির হার ৭১ দশমিক ০২ জন হলেও সবচেয়ে বেশি অনুপস্থিতি দেখা গেছে ফেনী সদর উপজেলায়। এ উপজেলায় ঠিক কি কারণে অধিক সংখ্যক ৩৪ দশমিক ৭৪ জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলো এর কোন সু-স্পষ্ট কারণ জানাতে পারেনি প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ। উপস্থিতির হারে জেলায় সর্বোচ্চ ৮১ দশমিক ০৮ ভাগ ছিলো ফুলগাজী উপজেলায়। আর সর্বনিম্ন উপস্থিতির হার ছিলো ফেনী সদর উপজেলায় ৬৫ দশমিক ২৬ ভাগ। উপস্থিতি কম থাকার বিষয়ে ফেনী সদর উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে প্রয়োজনীয় মনিটরিংয়ে কমতি থাকাকে দুষছেন সংশ্লিষ্টরা। 

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস জানায়, ফেনীর ৬টি উপজেলায় ৫ম শ্রেণি থেকে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া সর্বমোট ৫ হাজার ৩৩৪ জন শিক্ষার্থী প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে নিবন্ধন করে। তন্মধ্যে প্রথম দিনের বাংলা পরীক্ষায় অংশ নেয় ৩ হাজার ৭৮৮ জন। অথ্যাৎ ১ হাজার ৫৪৬ জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলো। অনুপস্থিত থাকাদের মাঝে সর্বোচ্চ ফেনী সদর উপজেলায় ৬৫২ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়নি। এ উপজেলায় ১ হাজার ৮৭৭ জন রেজিস্ট্রেশন করে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে মাত্র ১ হাজার ২২৫ জন। অথ্যাৎ নিবন্ধনকারী শিক্ষার্থীদের ৩৪ ভাগ শিক্ষার্থী এ উপজেলায় পরীক্ষায় অংশ নেয়নি। জেলায় উপস্থিতির হারের দিকে সর্বোচ্চ ছিলো ফুলগাজী উপজেলায়। এ উপজেলায় ৫১৮ জন শিক্ষার্থীর মাঝে উপস্থিত ছিলো ৪২০ জন। অনুপস্থিত ছিলো ৯৮ জন। উপস্থিতির হার ছিলো ৮১ দশমিক শূণ্য ৮ জন।         

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ফেনী সদর উপজেলায় ১৮৮ জন শিক্ষার্থীর মাঝে অংশ নেয় ১২২৫ জন। অনুপস্থিত ছিলো ৬৫২। এ উপজেলায় উপস্থিতির হার ছিলো ৬৫.২৬। ছাগলনাইয়া উপজেলায় মোট ৬৬০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে অংশ নেয় ৪৩৫ জন। অনুপস্থিত ছিলো ২২৫ জন। উপস্থিতির হার ছিলো ৬৫.৯১ জন। দাগনভূঞা উপজেলায় মোট ৯৯১ জনের মধ্যে অংশ নেয় ৭২৫ জন। অনুপস্থিত ছিলো ২৬৬ জন। উপস্থিতির হার ছিলো ৭৩.১৬। সোনাগাজীতে ৮৩৯ জন নিবন্ধন করে পরীক্ষায় অংশ নেয় ৬৩০ জন। অনুপস্থিত ছিলো ২০৯ জন। উপস্থিতির হার ছিলো ৭৫.০৯ জন। পরশুরামে ৪৪৯ জনের মধ্যে ৩৫৩ জন অংশ নেয়। ৯৬ জন অনুপস্থিতসহ উপস্থিতির হার ছিলো ৭৮.৬২ জন। জেলায় উপস্থিতির হারের দিকে সর্বোচ্চ ছিলো ফুলগাজী উপজেলায়। এ উপজেলায় ৫১৮ জন শিক্ষার্থীর মাঝে উপস্থিত ছিলো ৪২০ জন। অনুপস্থিত ছিলো ৯৮ জন। উপস্থিতির হার ছিলো ৮১ দশমিক শূণ্য ৮ জন।

ফেনী সদর উপজেলায় অনুপস্থিতির সংখ্যা বেশি হওয়ায় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। 

তারা বলছেন, জেলার অন্যান্য উপজেলায় বিভিন্ন গ্রাম গঞ্জের শিক্ষার্থীরা রেজিস্টেশন মোতাবেক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। কিন্তুু সদর উপজেলার শিক্ষার্থীদের মাঝে অনুপস্থিতির হার বেশি হওয়া উদ্বেগজনক। কারণ এ উপজেলায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো। তেমন কোন প্রান্তিক জনপদ নেই। শুধুমাত্র শিক্ষা অফিসের প্রয়োজনীয় মনিটরিং কম থাকা ও প্রাথমিক শিক্ষকদের উদাসীনতায় এ সংখ্যা সদর উপজেলায় তলানীতে পড়েছে।  

ফেনী সদর উপজেলায় শিক্ষার্থী অনুপস্থিতির হার সবচেয়ে বেশি হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খালেদা পারভিন কোন সদুত্তর দিতে পারেন নি।         

ফেনী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হৃষীকেশ শীল বলেন, জেলায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার প্রথম দিনের বাংলা পরীক্ষায় ৫ হাজার ৩৩৪ জন উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও ১ হাজার ৫৪৬ জন অংশ নেয়নি। জেলা এ পরীক্ষায় উপস্থিতির হার ছিলো ৭১ শতাংশ। শান্তিপূর্ণ ভাবে জেলাজুড়ে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোথায়ও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা অথবা বহিস্কারের ঘটনা ঘটেনি।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ ডেইলি ষ্টার লাইন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ICT- Starline Group