
বিশেষ প্রতিনিধি, Reporter।।
পরশুরাম প্রতিনিধি:
পরশুরামের ডাকবাংলো মোড় সংলগ্ন একটি মাদ্রাসায় একাধিক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে।
গত অক্টোবরে অভিভাবকেরা অভিযোগ দিলেও মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা নুরবক্সসহ মাদ্রাসার শিক্ষক নুরুল ইসলাম সহ কয়েকজন মিলে অভিযুক্ত শিক্ষককে বরখাস্ত করে দায়িত্ব শেষ করেন। বিষয়টি পুলিশকে না জানিয়ে ধামাচাপা দেন।
এরই মধ্যে পরশুরাম বাজারের এক কাপড় ব্যবসায়ী, সরকারি চাকুরিজীবি অভিভাবকসহ কয়েকজন অভিভাবক তাদের সন্তানকে অন্যত্র নিয়ে ভর্তি করেছেন।
অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম ওমর ফারুক তিনি হিফয বিভাগ দায়িত্ব পালন করেছেন। তার বাড়ি নোয়াখালীর সোনাপুর।
বলাৎকারের ঘটনায় ওই মাদ্রাসায় কর্মরত শিক্ষক ও পরিচালকদের মধ্যে অন্তঃকোম্দল ও বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।
উক্ত ঘটনায় ৪/১০/২০২৫ ইং তারিখে মাদ্রাসা কক্ষে একটি জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয় সভায় নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে জসীম উদ্দীন, শাহাদাত হোসেন, মোবারক হোসেন, মোঃ ইউসুফ, দেলোয়ার হোসেন, মাস্টার মনির আহমদ, মাস্টার শাহিনুর রহমান, অবিভাবক প্রতিনিধি মোহাম্মদ ইউনুস উপস্থিত ছিলেন সভায় অভিযুক্ত ওমর ফারুককে ২ অক্টোবর থেকে বহিষ্কার করা হয়।
মারকাজুল উলুম মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা নুরবক্স মজুমদার বলেন বিষয়টি আমি শুনেছি ঘটনা সত্য হলে তাকে বহিষ্কারের নির্দেশনা দিয়েছি।
মুন্সিরহাট ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষক ও মারকাজুল উলুম মাদ্রাসার হিসাব রক্ষক মোঃ শাহাদাত হোসেন বলেন, বলাৎকারের বিষয়টি শুনার পর আমরা ওই শিক্ষককে বহিষ্কার করেছি কিন্তু অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশে না দিয়ে বিষয়টি গোপন রাখা হয়েছে কেন জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন আমরা তো ওই শিক্ষককে বহিষ্কার করেছি মাদ্রাসা তো আর বন্ধ করে দিতে পারি না।