| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

দাগনভূঞা গণমাধ্যম কর্মীদের ঘুষ প্রদান চেষ্টা ও অসৌজন্যমূলক আচরণ

রিপোর্টারের নামঃ Reporter
  • আপডেট টাইম : 20-04-2026 ইং
  • 265 বার পঠিত
দাগনভূঞা গণমাধ্যম কর্মীদের ঘুষ প্রদান চেষ্টা ও অসৌজন্যমূলক আচরণ
ছবির ক্যাপশন: দাগনভূঞা গণমাধ্যম কর্মীদের ঘুষ প্রদান চেষ্টা ও অসৌজন্যমূলক আচরণ


দাগনভূঞা প্রতিনিধিঃ

দাগনভূঞা উত্তর আলীপুর স্কুল এন্ড কলেজের ৪ বছরের দূর্নীতির বিষয়ে খবর সংগ্রহে গেলে গণমাধ্যম কর্মিদের ঘুষ দেয়ার চেষ্টা ও অসৌজন্যমূলক আচরণের তদন্ত এখনো আলোর মুখ দেখে নি।

২০২০-২০২৪, ৪ বছর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের চেয়ারে থাকা অবস্থায় বর্তমান সহকারী প্রধান এনামুল হক দূর্নীতি ও জালিয়াতির মাধ্যমে স্কুলের ৪ বছরের হিসাব নয়-ছয় করার অভিযোগ পেয়ে গণমাধ্যম কর্মিরা বিষয়টি খতিয়ে দেখতে গেলে তাদের ঘুষ দেয়ার চেষ্টা করেন, পরে নিউজ না করার জন্য অডিও কল করেও একই প্রস্তাব ও প্রলোভন দেন। এসব অডিও ভিডিও ভাইরাল হলে জাতীয় ও ফেনীর অধিকাংশ দৈনিকে খবর প্রকাশিত হয় এবং ঘুষের প্রস্তাব পাওয়া ৩ গণমাধ্যম কর্মি, জেলা প্রশাসক, শিক্ষা অফিসার ও স্কুলের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। দীর্ঘ ৫ মাস অতিবাহিত হলেও এই বিষয়ে কোন পদক্ষেপ নিতে দেখা যায় নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে। 

সহকারী প্রধানের ঘুষ প্রদান চেষ্টা ও প্রধান শিক্ষকের অসৌজন্যমূলক আচরণের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেওয়া ৩ গণমাধ্যম কর্মি, শাখাওয়াত হোসেন, ফখরুল ইসলাম। 

জিয়া উদ্দিন বলেন, সব জায়গায় শুভঙ্করের ফাঁকি! এত বড় একটা অপরাধ, অডিও ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরও কোন ব্যাবস্থা নিচ্ছেন না স্কুল কর্তৃপক্ষ। এই বিষয়ে প্রয়োজনে আমরা শিক্ষা মন্ত্রীর কাছে যাবো কিন্তু এই অপরাধ অপকর্মের বিচার হতেই হবে। না হলে দূর্নীতিবাজ শিক্ষক দূর্নীতিবাজ জাতি উপহার দিবে।

দাগনভূঞা উপজেলা শিক্ষা অফিসার ইসমাইল হোসেন কে, অভিযোগ ও তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বিষয়টি ভুলেই গেছেন মর্মে প্রতিক্রিয়া দেখালেন। এবং বললেন এটা তো ইউএনও স্যার দেখছেন।

অভিযোগ দেয়ার পর থেকে স্কুল সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহিদুল ইসলাম কে কয়েকবার অগ্রগতির ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি প্রথমে জানান, এটা নিয়ে আমরা আপনাদের সহ বসবো। কিছুদিন পর তিনি আবার জানান বিষয়টি এসবি কে তদন্ত করার জন্য দেয়া হয়েছে। এসবি হয়ত আপনাদের কাছেও যাবে। গত ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের দিন এই বিষয়ের আপডেট জানতে চাইলে তিনি অনেকটা অবাক হন। এবং বলেন এই বিষয় এখন আবার! ঠিক আছে দেখতেছি বলে অনেক টা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি আরো জানান সহকারী শিক্ষক এনামুল হক তার কাছে বিগত ৪ বছরের হিসাব প্রদান করেছেন। 

কর্তৃপক্ষের এমন দায়সারা মনোভাবে স্থানীয় এলাকাবাসী প্রশ্ন ছুঁড়ে বলেন, স্কুল শিক্ষক হয়ে নিজের অপকর্ম ডাকতে গণমাধ্যম কর্মিদের ঘুষ প্রদান চেষ্টা কি কোন অপরাধ নয়? এই অপরাধ কে কেন এত ছোট করে দেখা হচ্ছে? কেন এই অপরাধ কে জায়েজ করতে কতৃপক্ষ এত গড়িমসি করছে? তারাও কি মুখে ঘুষ নিয়ে দূর্নীতি অপকর্ম কে প্রশ্রয় দিতে চুপ হয়ে আছেন?


ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ ডেইলি ষ্টার লাইন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ICT- Starline Group